প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান গোলা বিস্ফোরণে শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে, ১৫ সেপ্টেম্বর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান গোলা বিস্ফোরণে শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে, ১৫ সেপ্টেম্বর

হাটহাজারীতে গোলা বিস্ফোরণে শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় ট্যাংক ফায়ারিংয়ের গোলা বিস্ফোরণে শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তিনি তাঁদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন।

আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শহীদ সেনাসদস্যের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানিয়েছেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ও ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জন্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমাদের সেনাসদস্যরা প্রাণ দিয়েছেন। তাঁরা দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন। তাঁদের এ আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’

শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘এ শোকের সময়ে আমরা আপনাদের পাশে আছি ও থাকব। সরকার ও সেনাবাহিনী সব সময় আপনাদের পরিবারের পাশে থাকবে। সহযোগিতা দেওয়ার পাশাপাশি শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের দেখভালের দায়িত্বও সরকার পালন করবে।’

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শহীদ সেনাসদস্যদের স্থায়ী ঠিকানায় একটি করে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও এ সময় জানানো হয়। সেই সঙ্গে তাঁদের স্ত্রীর চাকরির ব্যবস্থা করা এবং সন্তানদের জন্য মাসিক ভাতা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিংয়ের সময় গোলা বিস্ফোরণে দুই সেনাসদস্য শহীদ হন। তাঁরা হলেন সৈনিক (অপারেটর) আবু বকর সিদ্দিক এবং সৈনিক (গানার) তাসনিম রিফায়াত।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে আবু বকর সিদ্দিকের স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার, শিশুকন্যা ফাতেমা সিদ্দিকা, বাবা আবদুল ওহাব ও মা পারভীন আক্তার উপস্থিত ছিলেন। তাসনিম রিফায়াতের পরিবার থেকে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ফাহমিদা আফরিন, শিশুকন্যা রাফসা তাসনিম ও বাবা আসাদুল হক।