কালীগঙ্গা থেকে বালু তোলার দায়ে আটজনের জেল–জরিমানা

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় কালীগঙ্গা নদী থেকে খননযন্ত্র দিয়ে অবৈধভাবে বালু তোলার দায়ে চার ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও অপর চার ব্যক্তিকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইকবাল ওই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত বালু ব্যবসায়ী সদর উপজেলার পৌলী গ্রামের আলী আজম, আবদুর রাজ্জাক ও মাইনুদ্দিন মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা করে ১ লাখ ৫০ টাকা এবং খননযন্ত্রের মালিক পিরোজপুর সদরের চারিগ্রামের সম্রাট মিয়াকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। এ ছাড়া সদর উপজেলার গোয়ালডিঙ্গী গ্রামের জসিম উদ্দিন, পৌলী গ্রামের বদর উদ্দিন, ঘিওর উপজেলার চর মির্জাপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম এবং পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি উপজেলার জসিম উদ্দিনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সদর উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের পাছবারইল গ্রামে কালীগঙ্গা নদী থেকে খননযন্ত্র দিয়ে বালু তুলে বিক্রি করে আসছিলেন ওই আট ব্যক্তি। এতে নদীতীরবর্তী ফসলি জমি ও বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়ে। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে আজ সকালে পুলিশের সহযোগিতায় ইউএনও মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ওই আট ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এরপর তাঁদের কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়।

এ বিষয়ে ইউএনও মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী তাঁদের জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী খান বলেন, আজ দুপুরে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চার ব্যক্তিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।