নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের ওপর আবার হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সোয়া আটটার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বদু কেরানির পোল এলাকায় তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারীরা এই হামলার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন খিজির হায়াত। কাদের মির্জা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ভাই। খিজির হায়াত ওবায়দুল কাদেরের অনুসারী।
খিজির হায়াত খান প্রথম আলোকে বলেন, রাত সোয়া আটটার দিকে তিনি রিকশায় করে বাড়ি থেকে বসুরহাট বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও কাদের মির্জার অনুসারী মো. রাশেল তাঁকে রিকশা থেকে নামিয়ে এলোপাতাড়ি কিল–ঘুষি মারতে থাকেন। রাশেলের সঙ্গে থাকা মারুফ তাঁকে ও রিকশাচালককে লাঠি দিয়ে পেটান। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করেন। তাঁরা দুজনই স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে তিনি মামলা করতে থানায় যান।
খিজির হায়াত খানের ভাষ্য, ঘটনার পরপরই তিনি বিষয়টি ফোনে জেলা পুলিশ সুপারকে জানিয়েছেন।
হামলার অভিযোগের বিষয়ে জানতে কাউন্সিলর মো. রাশেল ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে ফোন করা হলেও তাঁরা ফোন ধরেননি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, খিজির হায়াত খানের ভাষ্য অনুযায়ী, কাউন্সিলর রাশেল ও মারুফের নেতৃত্বে তাঁর ওপর হামলা হয়েছে। এ সময় রিকশাচালককেও বেদম মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি অভিযোগ দিলে নিয়মিত মামলা নেওয়া হবে।
এর আগে গত ৮ মার্চ বসুরহাটের রূপালী চত্বরে খিজির হায়াত খানের ওপর কাদের মির্জার নেতৃত্বে তাঁর অনুসারীরা হামলা চালান বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।। তখন হামলাকারীরা খিজির হায়াত খানের পরনের পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলেন। হামলায় আহত হওয়ার পর তিনি বেশ কয়েক দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন।