ধরমপাশায় মাদক ব্যবসায়ীকে পুলিশে দেওয়ার জেরে ইউপি সদস্যকে মারধর

মারধর
প্রতীকী ছবি

এক মাদক ব্যবসায়ীকে পুলিশে দেওয়ার জেরে সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলায় ইউপি সদস্য দৌলত মিয়াকে (৪৫) মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা দুইটার দিকে উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের আহম্মদপুর গ্রামের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার হওয়া দৌলত মিয়ার বাড়ি উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের উত্তরবীর গ্রামে। তিনি ওই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাময়িক চিকিৎসা নিয়েছেন। গতকাল সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আহত ইউপি সদস্য বাদী হয়ে তিনজনকে আসামিকে করে ধরমপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ইউপি সদস্যকে মারধর করার একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে দ্রুত এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মো. খালেদ চৌধুরী, ধরমপাশা থানার ওসি

ধরমপাশা থানা–পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের আহম্মদপুর গ্রামের বাসিন্দা সুয়েল মিয়া (৩৫) মাদক ব্যবসায়ী। প্রায় চার মাস আগে উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বাদশাগঞ্জ বাজারে গাঁজাসহ পুলিশের হাতে ওই মাদক ব্যবসায়ীকে ধরিয়ে দেন ইউপি সদস্য দৌলত মিয়া। তখন তিনি ইউপি সদস্যকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। সপ্তাহখানেক জেল খেটে ওই মাদক ব্যবসায়ী কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান।

গতকাল বেলা পৌনে দুইটার দিকে ইউপি সদস্য দৌলত মিয়া ও একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শওকত আলী (৫১) ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজার থেকে ধরমপাশা বাজারের দিকে রওনা হন। বেলা দুইটার দিকে সুয়েল মিয়া আরও লোকজন নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান।

মারধরের শিকার হওয়া দৌলত মিয়া বলেন, ‘আমি চার মাস আগে গাঁজাসহ সুয়েল মিয়াকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলাম। এর জের ধরে আমাকে মারধর করা হয়েছে। থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’

ধরমপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদ চৌধুরী বলেন, ‘ইউপি সদস্যকে মারধর করার একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে দ্রুত এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’