নিখোঁজের এক দিন পর ধানখেতে মিলল দলিল লেখকের লাশ

লাশ
প্রতীকী ছবি

বগুড়ায় নিখোঁজের এক দিন পর মশিউর রহমান ওরফে সোনা মিয়া (৩০) নামের একজন দলিল লেখকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার সকাল নয়টার দিকে বগুড়া সদরের বারপুর রাডার স্টেশনের পাশের একটি ধানখেত থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

মশিউর বগুড়া সদর উপজেলার বারপুর দক্ষিণপাড়ার মকবুল হোসেনের ছেলে। মকবুল হোসেন ২০১৮ সালে আরেক ছেলের হাতে খুন হন। ওই হত্যা মামলার বাদী ছিলেন ছেলে মশিউর।

বগুড়া সদর থানা–পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় মসজিদে তারাবিহ নামাজ আদায় শেষে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন মশিউর। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাঁর কোনো হদিস না পেয়ে স্ত্রী সোনিয়া বেগম বগুড়া সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। আজ সকালের দিকে বাড়ির অদূরে ধানখেতে মশিউলের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দেন। পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। লাশ উদ্ধারের পরপরই বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদসহ সদর থানার পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তাঁরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, পূর্বশত্রুতার জেরে মশিউরকে শ্বাস রোধ করে হত্যার পর লাশ ধানখেতে ফেলে রাখা হয়েছে।

বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ২০১৮ সালে নিহতের বাবা মকবুল হোসেন ওরফে নান্নু তাঁর মাদকসেবী ছোট ছেলের হাতে খুন হন। বাবাকে হত্যার অভিযোগ এনে মশিউর তাঁর ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মশিউরের ছোট ভাই বর্তমানে জামিনে আছেন। মশিউর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।