দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনার নমুনা সংগ্রহ বুথে মেয়াদোত্তীর্ণ কিট ব্যবহার করে নমুনা সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সকালে করোনার নমুনা দিতে গিয়ে বিষয়টি শাহিনুর ইসলাম নামের এক ব্যক্তির নজরে আসে । তাৎক্ষণিকভাবে বুথে কর্তব্যরত নমুনা সংগ্রহকারীদের অবহিত করলে ব্যবস্থা গ্রহণ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
নমুনা সংগ্রহে ব্যবহৃত কিটের পলিব্যাগের গায়ে উৎপাদনের তারিখ দেওয়া আছে ২০২০ সালের নভেম্বর মাস। আর মেয়াদোত্তীর্ণের ঘরে লেখা ২০২১ সালের অক্টোবর মাস।
দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, পলিব্যাগের গায়ে লেখা মেয়াদের তারিখ পেরিয়ে গেলেও, এর ভেতরে থাকা সোয়াব স্টিকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মেয়াদ আছে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বিভ্রান্তিতে পড়েছে খোদ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
তবে শাহিনুর ইসলাম জানান, তিনি বেসরকারিএকটি ক্লিনিকে কর্মরত আছেন। করোনার কিট, নমুনা সংগ্রহ, নমুনা পরীক্ষার বিষয়ে আগে থেকেই জানতেন বলেই কিটের পলিথিনের ব্যাগের দিকে তাঁর দৃষ্টি পড়ে। এ ক্ষেত্রে কর্তব্যরতদের আরও সচেতন হওয়া জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজিস্ট আরাফাত হোসেন বলেন, ‘গত সপ্তাহে রংপুর সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে এই হাসপাতালে তিন হাজার কিট আসে। এর মধ্যে যেগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল, আমরা সেগুলো ফেরত পাঠিয়েছি। তবে বর্তমানে যে কিটগুলো দিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে, সেগুলোর ২০২২ সাল পর্যন্ত মেয়াদ রয়েছে।’
এ ব্যাপারে দিনাজপুর সিভিল সার্জন এ এইচ এম বোরহানুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আজ আলাপ হয়েছে। সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।’ তিনি আরও বলেন, বর্তমানে জেলায় পাঁচ হাজার কিট মজুত রয়েছে। দৈনিক নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে ১৫০-১৭০ জনের। তবে নমুনা পরীক্ষা চালু রয়েছে।