শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চারটি আরটি–পিসিআর ল্যাবে করোনা পরীক্ষা শুরু হয়েছে
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চারটি আরটি–পিসিআর ল্যাবে করোনা পরীক্ষা শুরু হয়েছে

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরটি–পিসিআর ল্যাবের কার্যক্রম শুরু

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার জন্য আরটি–পিসিআর ল্যাবের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সোমবার কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিনই নমুনা পরীক্ষায় বিদেশগামী এক যাত্রীর করোনা শনাক্ত হয়েছে। পরে ওই যাত্রীকে ছাড়াই সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজার উদ্দেশে ছেড়ে যায় উড়োজাহাজের একটি ফ্লাইট।

বিমানবন্দরে কর্তব্যরত সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. জয়নাল আবেদীন প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সোমবার ৭৭ যাত্রী নিয়ে এয়ার অ্যারাবিয়ার একটি বিমান শারজার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। যাত্রীদের মধ্যে একজনের করোনা শনাক্ত হওয়ায় তিনি যেতে পারেননি। তাঁকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে। সেখানে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে তাঁকে।

বিমান উড্ডয়নের ছয় ঘণ্টা আগে থেকে বিমানবন্দরে স্থাপিত চারটি আরটি–পিসিআর ল্যাবে যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা শুরু হয়। চারটি প্রতিষ্ঠান যাত্রীদের করোনা পরীক্ষার দায়িত্ব পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ঢাকার প্রেসক্রিপশন পয়েন্ট ও ল্যাবএইড, কুমিল্লার মর্ডান হসপিটাল প্রাইভেট লিমিটেড এবং চট্টগ্রামের শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি।

এসব প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়কারী ও শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরির মহাব্যবস্থাপক পুলক পারিয়াল বলেন, ‘প্রথম দিন সুন্দরভাবে পরীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী আরও দুটি ফ্লাইট রয়েছে। আমরা দ্রুততার সঙ্গে যাত্রীদের সেবা দিতে পারছি। ফ্লাইট ও যাত্রীসংখ্যা বাড়লেও করোনা পরীক্ষায় কোনো সমস্যা হবে না।’

রোববার বিমানবন্দরে আরটি–পিসিআর ল্যাবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) আহমেদুল কবীর।

এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদেশগামী যাত্রীদের করোনা পরীক্ষার জন্য চারটি বেসরকারি ল্যাবকে অনুমোদন দেওয়া হয়। বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৬০০ টাকা। ১৮ ডিসেম্বর ল্যাব স্থাপনে অবকাঠামোর কাজ শুরু করে স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ।