
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় এক কৃষক গরুর জন্য ঘাস কাটতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খাঁচা ও কাঁচি নিয়ে বের হন। এরপর থেকে তাঁর আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ শুক্রবার ভোরে উপজেলার সিংধা ইউনিয়নের আলোকদিয়া-নামাপাড়া গ্রামের একটি পুকুরপাড়ে তাঁর লাশ পাওয়া গেছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
লাশ উদ্ধার হওয়া কৃষকের নাম সুলেমান মিয়া (৩৫)। তিনি উপজেলার আলোকদিয়া-নামাপাড়া গ্রামের আবদুল জব্বারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ ভোরে গ্রামের খামারি লুৎফুর রহমানের পুকুরপাড়ে পড়ে ছিল সুলেমান মিয়ার লাশ। পাশে খাঁচাভর্তি ঘাস ও কাঁচি পড়ে থাকতে দেখা যায়। লাশ দেখতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন খামারের পাহারাদার শুক্কুর আলী (৪২)। স্থানীয় ব্যক্তিরা তাঁকে উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ সুলেমানের লাশটি উদ্ধার করে।
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত শুক্কুর আলী মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তিনি একই গ্রামের আয়াতুল্লাহর ছেলে।
সিংধা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য উজ্জ্বল মিয়া বলেন, লুৎফুরের পুকুরের সীমানা জাল দিয়ে ঘেরাও করা। খুঁটির সঙ্গে বিদ্যুতের লাইন টাঙানো আছে। ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের সংযোগ লিকেজ ছিল। সেখানে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সুলেমান মারা গেছেন।
বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ঘাস কাটতে গিয়ে কৃষক সুলেমান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।