
১৫ জুলাই থেকে সদরঘাট থেকে দক্ষিণাঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রীবাহী লঞ্চ ছেড়ে যাবে। লঞ্চ চলাচল চলবে ২৩ জুলাই পর্যন্ত। নদীপথে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে নৌ মন্ত্রণালয় তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, যাত্রীদের শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মাস্ক না পরলে ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে নৌভ্রমণ করলে যাত্রীদের জরিমানা করা হবে। এ ছাড়া লঞ্চমালিকদেরও সচেতন থাকতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলে লঞ্চ কর্তৃপক্ষকেও জরিমানা করা হবে।
আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাট টার্মিনাল এলাকা পরিদর্শন শেষে নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। নৌ প্রতিমন্ত্রী এ সময় বলেন, গার্মেন্টস-কলকারখানা বন্ধ থাকায় ঈদের আগে-পরে বহু শ্রমিক ঢাকা ছাড়বেন। তাঁদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করা হচ্ছে। এ ছাড়া কর্মহীন নৌশ্রমিকদের প্রণোদনা দেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গার্মেন্টস-কলকারখানা বন্ধ থাকায় ঈদের আগে-পরে বহু শ্রমিক ঢাকা ছাড়বেন। তাঁদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করা হচ্ছে।
নৌ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সদরঘাট টার্মিনালকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর সদরঘাট অবহেলা ও অবজ্ঞায় ছিল। সেই সদরঘাটকে আমরা অন্ধকার থেকে টেনে এনে আলোর পথ দেখিয়েছি।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক (বন্দর) গোলজার আলী এবং অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাপ) সংস্থার ঢাকা নদীবন্দরের আহ্বায়ক মামুন আল রশীদ প্রমুখ।