ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

৬ ঘণ্টা পর সরানো হলো লরি, যানজটে দুর্ভোগ

ফাইল ছবি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড অংশে গতকাল সোমবার বিকেলে দুটি লরি বিকল হয়ে যায়। এরপর মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে শুরু হয় যানজট। পরে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে একটি লরি ও রাত সাড়ে নয়টার দিকে দ্বিতীয় লরিটি সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এর আগে গতকাল বিকেল চারটার দিকে সীতাকুণ্ডের কুমিরা এলাকায় একটি লরি বিকল হয়ে যায়। এর এক ঘণ্টা পর একই উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের ধামাইর খাল এলাকায় আরেকটি লরি বিকল হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।

ভারী ক্রেন না থাকায় লরি দুটিকে সরাতে তিন থেকে প্রায় ছয় ঘণ্টা সময় লেগেছে হাইওয়ে পুলিশের। এতে বিকেল চারটার পর থেকে মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। মহাসড়কের প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট ছড়িয়ে পড়েছিল। দীর্ঘ যানজটে পড়ে মহাসড়কের যাত্রী ও চালকেরা চরম দুর্ভোগ পোহান।

সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের পল্লিচিকিৎসক সন্তোষ চক্রবর্তী প্রথম আলোকে বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চট্টগ্রাম নগরের এ কে খান এলাকা থেকে বাঁশবাড়িয়া যাওয়ার জন্য মিনিবাসে উঠেছিলেন তিনি। ২৫ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে তাঁর পৌনে তিন ঘণ্টা সময় লেগেছে।

হাইওয়ে পুলিশ বলছে, সড়ক ও জনপদ বিভাগ চট্টগ্রামমুখী লেনে সংস্কারকাজ করছিল। বেলা দুইটা পর্যন্ত সংস্কারকাজ চলার কথা থাকলেও বিকেল চারটা পর্যন্ত সংস্কারকাজ চলছিল। এ সময় ঢাকামুখী লেন দিয়েই ঢাকা ও চট্টগ্রাম—দুই দিকের যানবাহন চলাচল করছিল। এতে ঢাকামুখী সড়কে এমনিতেই ধীর গতিতে যান চলাচল করছিল। এর মধ্যে এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি লরি বিকল হয়ে গেলে যানজট আরও বেড়ে যায়।

বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, বিকেলে বন্দর ও নগর থেকে ঢাকামুখী গাড়ি চাপ বেড়ে যায়। এতে যানজট সিটি গেট ছাড়িয়ে গিয়েছিল। মূল লরি দুটি সরানোর জন্য বড় ক্রেনের প্রয়োজন ছিল। এ জন্য লরি দুটি সরাতে কিছুটা সময় লেগেছে। রাত ১০টার পর লরিগুলো সরিয়ে নেওয়া হলে মহাসড়কে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।