ফরিদপুর শহরে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের জেলা সভাপতি তামজিদুল রশিদ চৌধুরীর নেতৃত্বে মশালমিছিল। গতকাল কর্মসূচিটির একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে
ফরিদপুর শহরে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের জেলা সভাপতি তামজিদুল রশিদ চৌধুরীর নেতৃত্বে মশালমিছিল। গতকাল কর্মসূচিটির একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে

ফরিদপুরে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের জেলা সভাপতির নেতৃত্বে মধ্যরাতে মশালমিছিল

ফরিদপুর শহরে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের জেলা সভাপতি তামজিদুল রশিদ চৌধুরী ওরফে রিয়ানের নেতৃত্বে মশালমিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

গতকাল সোমবার রাতে শহরের লক্ষ্মীপুর এলাকায় এ মিছিল করা হয় বলে তামজিদুল রশিদ নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দাবি করেছেন। তবে ২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন।

গতকাল মধ্যরাতে ১ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের ওই ভিডিও পোস্ট করেন তামজিদুল রশিদ। এতে দেখা যায়, ‘১৫ আগস্ট সংক্রান্ত শোক র‍্যালি’ লেখা একটি ব্যানার নিয়ে ২৫ থেকে ৩০ জন মশাল হাতে মিছিল করছেন। তাঁদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন তামজিদুল। মিছিলে অংশ নেওয়া বেশির ভাগ ব্যক্তির মুখ মাস্ক দিয়ে ঢাকা থাকলেও তাঁর মুখ খোলা ছিল।

ভিডিওতে দেখা যায়, লক্ষ্মীপুর চুনাঘাট সেতুর অপর প্রান্ত থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে শহরমুখী প্রান্তে এসে ভিডিওটি শেষ হয়। স্থানীয়ভাবে ভিডিওতে দেখানো স্থানটি লক্ষ্মীপুর এলাকা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। মিছিলকারীরা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

নিষিদ্ধ সংগঠনটি গতকাল রাতে মিছিল করেছে বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। যারা মিছিল করেছে, রাত থেকেই তাদের ধরতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মাহামুদুল হাসান, ওসি, কোতোয়ালি থানা, ফরিদপুর

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন। রাত দেড়টার দিকে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি মিছিলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথা বলেন।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান বলেন, ‘নিষিদ্ধ সংগঠনটি গতকাল রাতে মিছিল করেছে বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। যারা মিছিল করেছে, রাত থেকেই তাদের ধরতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’