
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ব্যবসায়ী আজিবর রহমানকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রায় এক মাস পরও কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার ঠাকুরপাড়া এলাকার মৌচাক–জামালপুর আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করেন বাসিন্দারা। এতে প্রায় এক ঘণ্টা ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভকারীরা বলেন, মামলায় আসামিদের নাম-পরিচয় উল্লেখ থাকার পরও প্রায় এক মাসে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। আসামিরা এলাকায় অবস্থান করলেও তাঁদের গ্রেপ্তার না হওয়া রহস্যজনক। দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
নিহত আজিবর রহমান (৪৫) উপজেলার ঠাকুরপাড়া এলাকার মারফত আলীর ছেলে। অন্যদিকে মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন একই এলাকার শরিফ হোসেন এবং তাঁর দুই ছেলে সাগর হোসেন ও সুমন মিয়া।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৩ জুলাই রাতে ফটিক মার্কেট এলাকা থেকে অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন আজিবর রহমান। পথে চলন্ত অটোরিকশায় তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
আজিবরের স্ত্রী নাসরিন আক্তার বলেন, ‘শুনেছি, আসামিরা এখনো এলাকায় অবস্থান করছে। অথচ পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। আমরা আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।’
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৩ জুলাই রাতে ফটিক মার্কেট এলাকা থেকে অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন আজিবর রহমান। পথে চলন্ত অটোরিকশায় তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ সময় শরিফ হোসেন, তাঁর দুই ছেলে সুমন, সাগরসহ কয়েকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও লোহার পাইপ দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে গুরুতর আহত হন আজিবর।
পরে স্থানীয় লোকজন আজিবরকে উদ্ধার করে কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৯ আগস্ট তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী নাসরিন আক্তার বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় মামলা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক আছেন। তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান ও চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।