টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথের পর্যটকবাহী জাহাজ
টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথের পর্যটকবাহী জাহাজ

টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন জাহাজ চলাচল শুরু, বিকেলে ফিরবেন আটকে পড়া পর্যটকেরা

ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’–এর প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে গতকাল বুধবার বন্ধ ছিল জাহাজ চলাচল। এতে করে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে আটকা পড়েছিলেন সাড়ে চার শতাধিক পর্যটক। আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কসংকেত প্রত্যাহার করার পর আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে পর্যটকবাহী তিনটি জাহাজ টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে জাহাজ তিনটি দ্বীপে আটকে পড়া পর্যটকদের নিয়ে টেকনাফের উদ্দেশে ছেড়ে আসবে।

বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী। তিনি বলেন, আজ বেলা ১১টার পর থেকে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে নৌযান চলাচলে কোনো বাধা নেই। প্রতিদিন সাড়ে নয়টায় ঘাট থেকে জাহাজ ছাড়ার কথা থাকলেও আজ দেরি করে ছেড়েছে। টেকনাফের দমদমিয়া জেটিঘাট থেকে এমভি বার আউলিয়া ৭০০ জন, আটলান্টিক ক্রুজ ৩৪০ জন ও কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন ২৬৩ জন পর্যটক নিয়ে ছেড়ে গেছে। জাহাজ তিনটি দুপুর নাগাদ সেন্ট মার্টিন জেটিঘাটে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে এসব জাহাজে করে আটকা পড়া পর্যটকেরা ফিরে আসবেন।

বিআইডব্লিউটিএ টেকনাফের ট্রাফিক সুপারভাইজার মো. জহির উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, বর্তমানে এ নৌপথে তিনটি জাহাজ চলাচল করছে। পর্যটকের সংখ্যা কমে যাওয়ায় গ্রিন লাইন-১, ভাষা শহীদ সালাম, এস টি সুকান্ত বাবু ও কেয়ারি সিন্দাবাদ নামের আরও চারটি পর্যটকবাহী জাহাজের চলাচল বন্ধ রয়েছে।
দ্বীপে পর্যটক আটকে পড়ার কথা জানিয়ে সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, বেড়াতে এসে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বিভিন্ন হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজে আটকে পড়েছিলেন সাড়ে চার শতাধিক পর্যটক। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় আজ তাঁরা টেকনাফে ফিরতে পারবেন।