আহত আলমগীর কাজীকে দেখতে হাসপাতালে যান স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম। সোমবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে
আহত আলমগীর কাজীকে দেখতে হাসপাতালে যান স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম। সোমবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে

বাগেরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১, ২ ও ৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া প্রতীক) এম এ এইচ সেলিমের এক কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বেশরগাতি গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।
আহত আলমগীর কাজীর (৪৮) বাড়ি বেশরগাতি গ্রামে। তাঁকে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম তাঁকে দেখতে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে যান।

কর্মীর ওপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সেলিম বলেন, ‘নির্বাচন হবে উৎসবমুখর, যার যাকে পছন্দ হবে সে তার জন্য কাজ করবে, ভোট চাইবে। এমন হলে তা নির্বাচনের পরিবেশকে নষ্ট করবে। নির্বাচনে সবার জন্য যেন সহাবস্থানের পরিবেশ থাকে, কমিশনকে তা নিশ্চিত করতে হবে। হামলার বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়েছে।’ এ বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন ওই প্রার্থী।

এম এ এইচ সেলিম বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি। তবে বর্তমানে দলের জেলা কমিটিতে তাঁর কোনো পদ নেই।

আহত আলমগীর কাজী জানান, তাঁর নাক-মুখে তিনটি সেলাই লেগেছে। ঘটনার বর্ণনায় আলমগীর বলেন, তিনি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তিনি ও তাঁর বড় ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের অনুসারী। সকালে তাঁর বড় ভাই সেলিমের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছিলেন। এ সময় ভাইয়ের সঙ্গে বাগেরহাট–২ আসনের বিএনপির প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ জাকিরের লোকজনের তর্ক হয়। তাঁকে আঘাতও করা হয়।

আলমগীর কাজী বলেন, ‘আমি শুনে দোকান থেকে বের হয়ে দেখি আমার ভাইকে বকাবকি করছে। আমি তাদের বলি, সবাই তো এক দলের লোক, এভাবে বকাবকি কোরো না। তখন আমার ভাইকে মারতে আসে। এ সময় আমার গায়ে সেই বাতার (কাঠের টুকরা) বাড়ি লাগে। আমার মাথা ও মুখেও আঘাত লাগে। এতে আমার নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে। আমাকে হাত-পাসহ সারা গায়ে মারছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুম খান বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।