ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় স্টেশন মাস্টারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ করছেন যাত্রীরা। আজ সকালে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে
ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় স্টেশন মাস্টারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ করছেন যাত্রীরা। আজ সকালে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে

তিন ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ল ট্রেন, চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রীদের বিক্ষোভ

নির্ধারিত সময়ে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছেড়ে না যাওয়ায় চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে বিক্ষোভ করেছেন ট্রেনটির যাত্রীরা। আজ বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্বের পর সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী। এ ছাড়া বেশ কিছু যাত্রীকে প্ল্যাটফর্মেও বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ–সংক্রান্ত বেশ কিছু ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

যাত্রীদের অভিযোগ, পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন খুলে অন্য একটি ট্রেনে লাগিয়ে দেওয়া হয়। এতে নির্ধারিত সময়ে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস না ছাড়ায় কয়েক শ যাত্রী প্ল্যাটফর্মে আটকে পড়েন। নির্ধারিত সময়ে ট্রেন না ছাড়ায় যাত্রীরা একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন।

রেলওয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইঞ্জিন–সংকটের কারণে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস প্রায়ই নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে পারছে না। সিলেট থেকে আসা ট্রেনের ইঞ্জিন প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে পুনরায় সিলেটগামী ট্রেনে সংযুক্ত করতে হয়, যার কারণে ট্রেন ছাড়তে নিয়মিত বিলম্বের ঘটনা ঘটছে।

স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেও বিক্ষোভ করেন অনেক যাত্রী। আজ সকালে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ছাড়ার নির্ধারিত সময় সকাল ৭টা ৫০ মিনিট। তবে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি চট্টগ্রাম ছেড়ে গেছে।

চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের মাস্টার আবু জাফর মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন চট্টগ্রামে পৌঁছানোর কথা ছিল ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে। তবে প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে ট্রেনটি পৌঁছানোর কারণে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যেতেও দেরি হয়েছে। ইঞ্জিন–সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।