দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রেলহেড অয়েল ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রেখে ট্যাংকলরি শ্রমিকেরা ডিপোর ফটকে বিক্ষোভ করেছেন
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রেলহেড অয়েল ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রেখে ট্যাংকলরি শ্রমিকেরা ডিপোর ফটকে বিক্ষোভ করেছেন

ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মবিরতি, রংপুর বিভাগে জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ

জ্বালানি তেল পরিবহনের কাজে নিয়োজিত একটি ট্যাংকলরির চালকসহ তিন শ্রমিককে ভ্রাম্যমাণ আদালত জেল-জরিমানা করার প্রতিবাদে রংপুর বিভাগীয় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়ন অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে।

আজ রোববার সকাল আটটা থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রেলহেড অয়েল ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রেখে ট্যাংকলরি শ্রমিকেরা এ কর্মসূচি পালন করছেন। কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছে দিনাজপুর জেলা পেট্রল পাম্প মালিক সমিতি।

শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল শনিবার পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপো (যমুনা অয়েল কোম্পানি) থেকে জ্বালানি তেল (ডিজেল, পেট্রল) নিয়ে নীলফামারী যাচ্ছিল একটি লরি। পথে লরির যান্ত্রিক ত্রুটি (ডায়নামার সমস্যা) দেখা দেওয়ায় গাড়ির কেবিন খুলে চালক শ্রী কৃষ্ণ এবং চালকের সহকারী (হেলপার) রিফাত গাড়ি মেরামতের কাজ করছিলেন। এ সময় নীলফামারী জেলার নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ ভূঁইয়া ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় তেলবাহী লরি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তিনি লরির কেবিনে দুটি জারকিনে (ক্যান) ১০ লিটার পেট্রল ও ২ লিটার ডিজেল পান। ওই তেল অবৈধভাবে পাচারের অভিযোগে লরির ম্যানেজার একরামুল হক, চালক শ্রী কৃষ্ণ এবং চালকের সহকারী রিফাতকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও তিনজনকে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করেন।

এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য এনডিসি নিয়াজ ভূঁইয়ার মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

রংপুর বিভাগীয় ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আতাউর রহমান বলেন, অবিলম্বে কারাগারে পাঠানো শ্রমিকদের মুক্তির পাশাপাশি এনডিসি নিয়াজ ভূঁইয়াকে বদলি করা না হলে কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।