কালবৈশাখীর কারণে আজ বুধবার সকালে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধের পর ফেরি, লঞ্চসহ নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। এর আগে সকাল সাতটার পর থেকে এই রুটে ফেরিসহ সব নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয় ঘাট কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয় জানায়, আজ সকাল সাতটার দিকে প্রচণ্ড গতিতে ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টি শুরু হয়। দুর্ঘটনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয়। এ সময় ফেরিগুলো দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় নোঙর করে থাকে। তবে বিপাকে পড়েন ঈদে ঘরমুখী মানুষ। তাঁদের বাড়তি দুর্ভোগে পড়তে হয়। প্রায় এক ঘণ্টার মতো বন্ধের পর সকাল ৮টার দিকে ফেরি, লঞ্চসহ নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আরিচা লঞ্চ মালিক সমিতি দৌলতদিয়া ঘাট তত্ত্বাবধায়ক নুরুল আনোয়ার বলেন, ঈদের যাত্রী পারাপার নির্বিঘ্ন রাখতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ছোট-বড় ২০টি এবং আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ১২টি লঞ্চ চালু রাখা হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে আজ সকালে এক ঘণ্টার বেশি সময় লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে পুনরায় লঞ্চ চালু হয়। আকস্মিক প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টির কারণে যাত্রীদের বাড়তি দুর্ভোগে পড়তে হয়।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন জানান, ঈদে যানবাহন পারাপার নির্বিঘ্ন রাখতে দৌলতদিয়া প্রান্তে তিনটি ঘাট চালু আছে। বাড়তি চাপ সামাল দিতে প্রায় চার বছর আগে ভাঙনে বিলীন ৫ নম্বর ঘাট নতুন করে নির্মাণ করেছে বিআইডব্লিউটিএ। কিন্তু ঘাটটি মিডওয়াটার লেভেলে করায় নদীর পানির উচ্চতা কম থাকায় ঈদের আগে চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।