
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত রুমিন ফারহানাকে সমর্থন দিয়েছেন জাপার স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
গতকাল সোমবার রাতে জাপার কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ ভাসানীর নেতৃত্বে নির্বাচনী এলাকার কয়েক শ নেতা-কর্মী রুমিন ফারহানার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে হাজির হয়ে তাঁকে সমর্থন দেন।
প্রচারণায় বাধা, নেতা-কর্মীদের হুমকি-ধমকির অভিযোগ তুলে গত রোববার দুপুরে নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন জাপা মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা। পরে গতকাল রাতে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে রুমিনের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে এসে তাঁকে সমর্থন দেন জাপার নেতা-কর্মীরা।
এ সময় জাপা নেতা আবদুল হামিদ ছাড়াও উপজেলা জাপার আহ্বায়ক এমদাদুল হক ও সদস্যসচিব মোজাহিদুল ইসলাম, আশুগঞ্জ উপজেলা জাপার সভাপতি হানিফ সরকার ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সরকারসহ নির্বাচনী এলাকার ১৯টি ইউনিয়নের জাপার নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আবদুল হামিদ ভাসানী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটওয়ারীর নির্দেশে এখানে হাঁস প্রতীকের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে সমর্থন দিয়েছি। এখানকার মানুষ রুমিন ফারহানার কাছে নিরাপদ। আমাদের নৈতিক সমর্থন রয়েছে হাঁসের প্রতি। এখানকার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে হাঁস প্রতীকে ভোটে দেবে বলে আমাদের প্রতীয়মান হচ্ছে।’
রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, ‘শেষ মুহূর্তে এসে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কালো টাকা ছড়াচ্ছেন। তাঁরা পেশিশক্তি প্রদর্শন করছেন। তাঁরা আমাদের লোকজনকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জিয়াউল হক মৃধাসহ ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এর মধ্যে দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এর আগে জামায়াতের প্রার্থী মোবারক হোসেন দলীয় সিদ্ধান্তে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ও বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের মধ্যে।