লাশ
লাশ

সিলেট সীমান্তে মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিজিবির ওপর হামলার সময় গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু

সিলেটের জৈন্তাপুরে সীমান্ত এলাকায় গত বৃহস্পতিবার রাতে মাইকে ঘোষণা দিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) টহল দলের ওপর হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ তরুণ মারা গেছেন। আজ সোমবার সন্ধ্যায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

মো. আতিক আহমেদ (২০) জৈন্তাপুর উপজেলার টিপরাখলা গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে জৈন্তাপুরের নিজপাট ইউনিয়নের টিপরাখলা গৌরীশঙ্কর এলাকায় বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি।

আতিক আহমেদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুলিবিদ্ধ ওই তরুণের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তিনি আরও বলেন, বিজিবির মামলায় ছত্রভঙ্গ করতে গুলি ছোড়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আতিক কার গুলিতে বিদ্ধ হয়েছেন, সেটি ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।

এদিকে বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় শুক্রবার রাতে জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ১৯ বিজিবির এক সদস্য বাদী হয়ে সিলেটের জৈন্তাপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে ১৫ থেকে ২০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের টিপরাখলা গৌরীশঙ্কর এলাকায় যায় বিজিবির একটি টহল দল। এ সময় স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে বিজিবি সদস্যের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তিরা বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন। এ সময় স্থানীয় মসজিদের মাইকে ‘বিজিবি স্থানীয় লোকজনের ওপর হামলা চালাচ্ছে’ ঘোষণা দিয়ে হামলা করা হয়। বিজিবি হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় জৈন্তাপুর উপজেলার টিপরাখলা গ্রামের মো. আতিক আহমেদ (২০) ও একই উপজেলার যশপুর গৌরীশঙ্কর গ্রামের মো. রায়হান মিয়া (২৮) গুলিবিদ্ধ হন। এ ছাড়া চোরাকারবারিদের হামলায় বিজিবি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম (৪৩) আহত হন।