
পটুয়াখালীর দশমিনায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারের জেরে উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের এক নেতার ওপর হামলা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলা সদরের বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
আহত হাসান মাহামুদ (২৫) দশমিনা উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক। তাঁকে প্রথমে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁর অভিযোগ, দশমিনা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বশারের লোকজন এ হামলা করেছেন।
গণ অধিকার পরিষদের উপজেলার সদস্যসচিব মিলন মিয়া বলেন, চরবোরহান ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা রাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতের ওয়ারেন্ট ছিল। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করতে গেলে আবুল বশার ও তাঁর লোকজনের সঙ্গে পুলিশের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে রাকিবুল ইসলামকে থানায় নিয়ে যায়। এরপর স্থানীয় বিএনপির কর্মী ইউপি সদস্য ছিদ্দিক মিয়া এবং ছাত্রদল নেতা আবুল বশারের লোকজন হাসান মাহামুদকে মারধর এবং তাঁর দোকান ভাঙচুর করেন। হাসান মাহামুদকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বশারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
জেলা গণ অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি কালাম পঞ্চায়েত বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নুরুল হকের (নুর) নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর এবং কর্মীদের মারধরের মামলায় রাকিবুল ইসলামও আসামি। আদালতের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তী সময়ে ছাত্রদলের লোকজন হাসান মাহামুদকে মারধর করেন। এ বিষয়ে পুলিশের কাছে মৌখিক অভিযোগ করা হয়েছে।
দশমিনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম বলেন, আসামিকে থানায় আনার পর স্থানীয় পর্যায়ে ঝামেলার কথা তিনি শুনেছেন। তবে বিস্তারিত জানেন না।