সুনামগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শেখ মুশতাক আহমদ। আজ রোববার দুপুরে জগন্নাথপুর উপজেলায় খেলাফত মজলিসের দলীয় কার্যালয়ে
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শেখ মুশতাক আহমদ। আজ রোববার দুপুরে জগন্নাথপুর উপজেলায় খেলাফত মজলিসের দলীয় কার্যালয়ে

সুনামগঞ্জ-৩

‘জোটে বনিবনা না হওয়ায়’ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী

১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে ‘বনিবনা’ না হওয়ায় সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শেখ মুশতাক আহমদ। আজ রোববার দুপুরে জগন্নাথপুর উপজেলায় সংগঠনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুশতাক আহমদ বলেন, ‘শুরু থেকেই এখানে জোটের প্রার্থী নিয়ে জটিলতা ছিল। শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করা হয়েছে একজনকে প্রার্থী করার, কিন্তু সেটি হয়নি। এখন আর এটি সম্ভব হবে না। তাই দলীয়ভাবে আমরা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ তবে তিনি ও তাঁর দল এখানে কাউকে সমর্থন দিচ্ছে না বলে জানান তিনি।

সুনামগঞ্জ-৩ আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী নিয়ে শুরু থেকেই টানাপোড়েন ছিল। মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগে জোটের অন্য প্রার্থীরা শর্ত দেন, এখানে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী থাকতে পারবেন না। জোটের অন্য প্রার্থীদের জন্য আসনটি উন্মুক্ত থাকবে। এরপর শর্ত মেনে জামায়াতের প্রার্থী মো. ইয়াসীন খান তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। কিন্তু জামায়াতের প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেও তাঁরা কাউকে সমর্থন দেননি।

খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শেখ মুশতাক আহমদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় সুনামগঞ্জ-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ছয়জন। তাঁরা হলেন বিএনপির প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মোহাম্মদ শাহীনূর পাশা চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহফুজুর রহমান ও হুসাইন আহমেদ।