সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন নোয়াখালী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইসহাক খন্দকার। গতকাল রাতে জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন নোয়াখালী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইসহাক খন্দকার। গতকাল রাতে জেলা  জামায়াতের কার্যালয়ে

নোয়াখালীতে সংবাদ সম্মেলন

বিএনপির বিরুদ্ধে জামায়াতের নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ

নোয়াখালীতে জামায়াতে ইসলামীর এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়েছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণা চালানোর সময় দলটির নারী কর্মীদের হেনস্তা করছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। গতকাল শুক্রবার রাতে জেলা জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে দলের হয়ে অভিযোগ তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির ইসহাক খন্দকার। তিনি নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ইসহাক খন্দকার বলেন, জেলার চাটখিল, বেগমগঞ্জ, সদর উপজেলা, নোয়াখালী পৌরসভা, সুবর্ণচরসহ বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের নারী কর্মীদের উঠান বৈঠকসহ প্রচারণায় বাধা দেওয়া হয়েছে। প্রচারণার সময় জামায়াতের নারী কর্মীদের হেনস্তাও করছেন বিএনপির লোকজন।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. শাহজাহানের কাছে অভিযোগ করে কয়েকটি স্থানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়া গেছে বলে জানান জেলা জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, ‘অনেক ঘটনা তাঁরও (মো. শাহজাহান) নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। জামায়াত সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে যাচ্ছে।’

ইসহাক খন্দকার আরও বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীদের ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্যও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ অবস্থায় নারী ভোটারদের নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে দলের শৃঙ্খলা বিভাগকে বলা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে এ ছাড়া জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. সাইয়েদ আহমদ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও নোয়াখালী-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. বোরহান উদ্দিন বক্তব্য দেন।

জামায়াতের অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য কাজ করছে, সুতরাং হেনস্তার অভিযোগ সত্য নয়; বরং জামায়াতই বিএনপি নেতাদের নিয়ে বিভিন্ন বাজে মন্তব্য করে আসছেন।