প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। আজ বেলা ১১টায়
প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। আজ  বেলা ১১টায়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ

আজ সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের সময় বেঁধে দিল গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের বিক্ষোভ

প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে। আজ বৃহস্পতিবার সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ছাত্রজোটের নেতা-কর্মীরা প্রক্টর অফিসের সামনে অবস্থান নেন। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আজ সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের সময়সীমা বেঁধে দেন ছাত্রজোটের নেতা–কর্মীরা।

‘অধিকার সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দের’ ব্যানারে এই কর্মসূচিতে যোগ দেয় গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ এবং নারী অঙ্গনের নেতা-কর্মীরা। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ৭ দফা দাবি লিখে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। এ সময় প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে তাঁরা স্লোগান দেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি জাকির বলেন, ‘আমরা আজ ৭ দফা দাবিতে প্রক্টর অফিসের সামনে আন্দোলন ডেকেছি। কারণ, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রশাসন দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে।’

ছাত্রজোটের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে আহত শিক্ষার্থীদের পূর্ণ তালিকা প্রকাশ, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, গুরুতর আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ, আবাসনচ্যুত শিক্ষার্থীদের মালামাল উদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা এবং নিরপরাধ এলাকাবাসীদের হয়রানি বন্ধ করা।

গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের সমন্বয়ক এবং গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ধ্রুব বড়ুয়া বলেন, ‘প্রক্টরিয়াল বডি গত কয়েক মাসে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। গুপ্ত হামলা থেকে প্রকাশ্য হামলার ঘটনায় কার্যকর ভূমিকা নেয়নি। আমরা চাই, প্রক্টরিয়াল বডি নিজেদের দায় স্বীকার করুক এবং ক্ষমা চাক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। পাশাপাশি আজ সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে প্রক্টরিয়াল বডিকে পদত্যাগ করতে হবে।’

ক্যাম্পাসে নারীদের নিরাপত্তার কথা তুলে ধরে নারী অঙ্গনের সংগঠক জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। কারণ, বিগত কয়েক মাসে যতবারই আমরা নিরাপত্তা চেয়েছি প্রশাসন আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেননি।’