মৃত আরিক মিয়া (১২)
মৃত আরিক মিয়া (১২)

কিশোরগঞ্জে গলায় ইট ও কোমরে বস্তা বাঁধা অবস্থায় ডোবায় পড়ে ছিল শিশুর লাশ

গলায় ইট ও কোমরে বস্তা বাঁধা অবস্থায় নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর কিশোরগঞ্জের ইটনা থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলার কালিবাড়ি চরের একটি ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই শিশুর নাম আরিক মিয়া (১২)। সে নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ি উপজেলার পাঁচহাট গ্রামের রেজেক মিয়ার ছেলে।

ওই শিশুর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাত ১টার দিকে আরিক বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরদিন খালিয়াজুড়ি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে তার পরিবার। দুপুরের পরে পাশ্ববর্তী ইটনার ধনপুর ইউনিয়নের কালিবাড়ি চরে কয়েকজন যুবক ঘাস কাটতে গিয়ে একটি ডোবায় মরদেহটি দেখতে পান। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি আরিকের বলে শনাক্ত করেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে।

নজরুল ইসলাম নামে ওই শিশুর এক স্বজন বলেন, আরিকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ছাড়া তার গলায় ইট ও কোমরে বালুর বস্তা বাঁধা ছিল। কী কারণে শিশুটিকে এমন নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তাঁরা বুঝে উঠতে পারছেন না। এমনও হতে পারে, কেউ পারিবারিক পূর্বশত্রুতার জেরেও এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে তাঁরা এ হত্যায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ইটনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেব মিয়া ওই শিশুর পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, সোমবার নিজ বাড়ি থেকে আরিক নিখোঁজ হয়। পরদিন তার পরিবার খালিয়াজুড়ি থানায় জিডি করে। আজ ইটনার কালিবাড়ি চর এলাকার ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।