জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। কুষ্টিয়ায় বিএনপি মনোনীত নারী সংসদ সদস্য প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন। আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ফরিদা ইয়াসমিন শেরেবাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তাঁর শিক্ষকতা যোগ্যতা এমএ বিএড। ১৯৯২ সালে ঢাকায় তাঁদের বাড়িতে বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয় হয়। সেখান থেকেই তাঁর বিএনপির রাজনীতিতে যাত্রা শুরু। ১৯৯৬ সালে ধানমন্ডি থানার জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের তৎকালীন ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৮ সালে বন্যাকবলিত মানুষের সাহায্য–সহযোগিতায় ধানমন্ডি থানার মহিলা দল কাজ করে। ১৯৯৯ সালে থানা ভাগ হলে তিনি হাজারীবাগ থানা মহিলা দলের আহ্বায়ক হন। ২০০০ সালে হাজারীবাগ থানার মহিলা দলের সভানেত্রী নির্বাচিত হন। অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
২০০২ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি হাজারীবাগ, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর তিনটি থানার পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সংগঠনের নারীদের সঙ্গে নিয়ে মিছিল–মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেন। ২০০৭ সালে কুষ্টিয়া জেলা আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। ২০১০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের অবিভক্ত ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এ সময় শিক্ষিত নারীদের সামনে এনে রাজনীতিতে অন্তর্ভুক্তি ও ৫০টি থানার মধ্যে ৪৬টি থানা কমিটি গঠন করেন। ২০১৬ সালে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য পদে নির্বাচিত হন। ২০২১ সালে কুষ্টিয়া জেলা কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা সাতটি (হাজারীবাগ, ধানমন্ডি, শাহবাগ ও পল্টন থানা)।
ফরিদা ইয়াসমিনের স্বামী প্রকৌশলী কে এম হামিদুর রহমান (অবসরপ্রাপ্ত)। তাঁদের দুই ছেলে। বড় ছেলে কে এম এরফান হামিদ ও ছোট ছেলে কে এম বায়েজীদ হামিদ আমেরিকাপ্রবাসী।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। প্রতি ৬ জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হবে। সে অনুযায়ী বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্ররা মিলে একটি আসন পাবে।