
নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের পাঁচমাথা মোড় অফিসার্স কলোনি এলাকায় রেলওয়ের একটি ভবন দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে ১১০ নম্বর ভবনের সামনে উঁচু টিন দিয়ে ঘিরে ফেলতে থাকেন শ্রমিকেরা। পরে দুপুরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ওই স্থান দখলমুক্তি করে।
আজ সকাল আটটার দিকে পাঁচমাথা মোড় অফিসার্স কলোনি এলাকায় ১১০ নম্বর ভবনের সামনে ১০–১২ জন শ্রমিক লাল পতাকা টাঙিয়ে দেন এবং উঁচু টিন দিয়ে ঘিরে ফেলতে থাকেন। এ সময় উৎসুক জনতা জড়ো হন।
কয়েকজন শ্রমিক জানান, তাঁরা কাপড় ব্যবসায়ী মো. রানার পক্ষ থেকে এখানে এসেছেন। তিনি (রানা) রেলওয়ের কাছ কাছে জমিটি ইজারা নিয়েছেন। তাঁর নির্দেশে এই জায়গা ঘিরে রাখছেন।
সৈয়দপুর শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কে মো. রানার কাপড়ের শোরুম আছে। মুঠোফোনে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই জমির বিপরীতে আমার বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। আমি জমিটি লিজ নিয়েছি। নিরাপত্তার জন্য সেখানে বেড়া দিচ্ছি।’
খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রেলওয়ে পুলিশের সহায়তায় রেলের পূর্ত বিভাগ সেখানে অভিযান চালায়। সেখান থেকে টিন, বাঁশ প্রভৃতি সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে এগুলো ট্রাকে করে পূর্ত বিভাগের ইয়ার্ডে নেওয়া হয়।
ঘটনাস্থলে কথা হয় সৈয়দপুর রেলের পূর্ত বিভাগের পরিদর্শক (আইওডাব্লিউ) শরিফুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, ১১০ নম্বর ভবনটি রেলওয়ের কল্যাণ ট্রাস্টের নামে বরাদ্দ রয়েছে। বরাদ্দকৃত জমিতে মার্কেট নির্মাণ করা হবে। ব্যবসায়ী রানা বন্দোবস্ত নেওয়ার যে দাবি করছেন, তা অমূলক ও মিথ্যা।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ বলেন, রেলওয়ের কোনো জায়গা কাউকে অহেতুক দখল করতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।