সড়কে যানবাহন চলাচল না করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। আজ বুধবার সকালে সিলেট নগরের হুমায়ুন রশীদ চত্বর এলাকায়
সড়কে যানবাহন চলাচল না করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। আজ বুধবার সকালে সিলেট নগরের হুমায়ুন রশীদ চত্বর এলাকায়

সিলেটে প‌রিবহন ধর্মঘটে যাত্রীদের দুর্ভোগ

সিলেটে তিন দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট চলছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রী ও কর্মস্থলগামী লোকজন। আজ বুধবার সকাল ছয়টায় শুরু হওয়া ধর্মঘটে নগরের সড়কগুলো ফাঁকা দেখা গেছে। মাঝেমধ্যে দু–একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে। এ ছাড়া চলাচল করছে মোটরসাইকেল ও রিকশা।

সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ঐক্য পরিষদ তিন দফা দাবিতে আজ সকাল থেকে এই ধর্মঘট পালন করছে। দাবিগুলোর মধ্যে আছে—সিলেটের সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনগুলোয় গ্যাসের সংকট দূর করা, রাজনৈতিক বিভিন্ন মামলায় আটক শ্রমিকদের মুক্তি ও ২০২১ সালে চৌহাট্টায় শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের করা মামলা প্রত্যাহার।

বাস চলাচল না করায় হেঁটে চলেছেন যাত্রীরা। বুধবার সকালে সিলেট নগরের কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকায়

আজ সকালে নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, দূরপাল্লার কোনো যাত্রীবাহী বাস ছেড়ে যায়নি। নগরের দক্ষিণ সুরমার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে যাত্রীবাহী বাসগুলো দাঁড় করিয়ে রাখা। অনেক যাত্রী বাস টার্মিনাল এলাকায় যাওয়ার পর গন্তব্যে না যেতে পেরে ফিরে যান। আবার অনেকেই হুমায়ুন রশীদ চত্বর এলাকায় যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। মোটরসাইকেলে গন্তব্যে ছোটেন কেউ কেউ।

হুমায়ুন রশীদ চত্বর এলাকায় গাড়ির জন্য দাঁড়িয়েছিলেন রাকিব আহমদ। তিনি বলেন, আজ সকালে তিনি শ্রীমঙ্গল যাওয়ার জন্য বের হয়েছেন। সকাল আটটার দিকে বের হয়ে সড়কে তেমন যানবাহন পাননি। সে সময়ও জানতেন না ধর্মঘট চলছে। পরে বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে জানতে পারেন ধর্মঘট চলছে।

সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর বলেন, আজ সকাল থেকে সিলেটের কোনো যাত্রীবাহী যানবাহন ছেড়ে যায়নি। পরিবহন শ্রমিকেরা স্বেচ্ছায় কর্মবিরতি পালন করছেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে ধর্মঘটের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।