
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা থেকে ১৬ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ রোববার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে শহরের চৌমুহনায় চট্টগ্রাম থেকে আসা এনা পরিবহনের একটি বাস থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক রোহিঙ্গারা হলেন ওয়াজ মিয়া (৩৩), মো. হাফিজুর রহমান (২৮), সৈয়দ আলী (২৭), মো. নুর মোস্তফা (১৮), ছুমুদা খাতুন (৫০), ফাতেমা খাতুন (৭০), রোকেয়া বেগম (২৮), আশরাফা বেগম (১৮), ইয়াসমিন আরা (১৮)। এ ছাড়া তাঁদের সঙ্গে আরও সাতজন শিশু ও কিশোরকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা সবাই কক্সবাজারের কুতুপালং আশ্রয়শিবির থেকে পালিয়ে এসেছেন।
শ্রীমঙ্গল থানার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মৌলভীবাজারে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) ক্যশৈনুর চট্টগ্রাম থেকে এনা পরিবহনের একটি বাসে মৌলভীবাজারে আসার পথে কয়েকজন যাত্রীকে দেখে রোহিঙ্গা শরণার্থী হিসেবে সন্দেহ করেন। তিনি বাসে বসেই পুলিশ কন্ট্রোল রুমে বিষয়টি জানান। পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে বিষয়টি শ্রীমঙ্গল থানাকে জানানো হলে শ্রীমঙ্গল থানার সহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) ফোর্স নিয়ে শ্রীমঙ্গলের চৌমুহনায় অবস্থান নেন। বাসটি চৌমুহনা এলাকায় থামলে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে ১৬ জনকে রোহিঙ্গা হিসেবে শনাক্ত করা হয়। পরে তাঁদের শ্রীমঙ্গল থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম সরদার বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, আটক রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির থেকে থেকে পালিয়ে মৌলভীবাজার হয়ে সিলেটে যেতে চেয়েছিলেন। বর্তমানে তাঁরা শ্রীমঙ্গল থানায় আছেন। পুলিশের মাধ্যমে তাঁদের আবার কক্সবাজারের উখিয়া আশ্রয়শিবিরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
এর আগে ১৪ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের কচুরগুল নালাপুঞ্জি এলাকা থেকে ৮ রোহিঙ্গাকে আটক করে পুলিশ।