চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে প্রতারণার মামলায় আদালতে নেওয়া হচ্ছে। আজ শনিবার
চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে প্রতারণার মামলায় আদালতে নেওয়া হচ্ছে। আজ শনিবার

প্রতারণার মামলায় চাঁদপুরের সেই স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস কারাগারে

চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে (৪৫) অবশেষে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি চাঁদপুর শহরের কুমিল্লা রোডের আখন্দ মার্কেটের ‘এস কে জুয়েলার্স অ্যান্ড শিল্পালয়’-এর স্বত্বাধিকারী।

আসামি পিন্টু দাসকে কারাগারে পাঠানোর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে সদর উপজেলার রঘুনাথপুরের মো. মনসুর খানের ছেলে মো. রাসেল খান বাদী হয়ে একটি প্রতারণার মামলা করেন। ওই মামলায় রাসেল অভিযোগ করেন, পিন্টু দাসের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় তিনি এবং আরও পাঁচ থেকে ছয় ব্যক্তি আর্থিক প্রয়োজনে সোনার চেইন, কানের দুল, সোনার লকেটসহ নানা অলংকার বন্ধক রেখে নগদ টাকা ঋণ নেন। পরে মূল টাকা ফেরত দিয়ে বন্ধকি স্বর্ণালংকার ফেরত চাইতে গেলে পিন্টু কালক্ষেপণ করতে থাকেন। এ কারণে তিনি মামলা করেছেন।

ওসি ফয়েজ আহমেদ বলেন, পিন্টু দাস বন্ধকি স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্নজনের কাছ থেকে টাকাপয়সা আত্মসাৎ করে ১৯ আগস্ট দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে চাঁদপুরের ভাড়া বাসা থেকে সপরিবার পালিয়ে যান। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির কাছে টাকা ও স্বর্ণালংকার পাওয়ার কথা জানিয়ে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ দেন একাধিক ক্রেতা ও বিক্রেতা। এর সূত্র ধরে পিন্টু দাসকে অভিযান চালিয়ে গতকাল শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রামের পটিয়ার দলঘাট দাসপাড়া থেকে চাঁদপুর মডেল থানার এসআই কালাম গাজীসহ পুলিশের একটি দল আটক করে। পরে ওই দিন বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত পুলিশের ঢাকা ও চাঁদপুরের কয়েকটি তদন্ত দল তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় তদন্ত দল তাঁর বিরুদ্ধে করা একাধিক ক্রেতা ও বিক্রেতার অভিযোগের সত্যতা পায়।

ওসি ফয়েজ আহমেদ আরও জানান, রাসেল খান নামের এক ব্যক্তির করা প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ সকালে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।