ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখছেন। বুধবার বিকেলে কুড়িগ্রাম কলেজ মোড় বিজয় স্তম্ভের সামনে
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখছেন। বুধবার বিকেলে কুড়িগ্রাম কলেজ মোড় বিজয় স্তম্ভের সামনে

ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে হলে হাতপাখা প্রতীকেই ভোট দিতে হবে: চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির (চরমোনাই পীর) মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘ইসলামের বিজয়ের জন্য, হাতপাখা প্রতীকের বিজয়ের জন্য আমরা মা বোনদের কাছে যাব, মুরব্বিদের কাছে যাব। তাঁদের বোঝাব ইসলামের পক্ষে একটাই ভোটের বাক্স রয়েছে। সেই বাক্স হলো হাতপাখা মার্কা। ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে হলে হাতপাখা প্রতীকেই ভোট দিতে হবে।’

বুধবার বেলা তিনটায় কুড়িগ্রাম কলেজ মোড় বিজয় স্তম্ভের সামনে কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর, ফুলবাড়ি, রাজারহাট) আসনের নির্বাচনী প্রচারণায় আয়োজিত এক জনসভায় রেজাউল করীম এ কথাগুলো বলেন।

চরমোনাই পীরের ভাষ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ইসলামের পক্ষে শুধু একটাই বাক্স। সেই বাক্সটা ইসলামই আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের বাক্স। সবার কাছে ভোট চেয়ে তিনি বলেন, ‘যাঁরা আমরা ইসলামকে ভালোবাসী, যাঁরা দেশকে ভালোবাসি, যাঁরা ইসলামকে ক্ষমতায় দেখতে চাই, সেই মা–বোন ও ভাইদের কাছে অনুরোধ করে বলতে চাই দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতের মুক্তির জন্য হাতপাখা মার্কায় ভোট দেবেন।’

রেজাউল করীম তাঁর বক্তব্যে বলেন, দেশের পরিবর্তনের জন্য ইসলামের পক্ষে, ন্যায়ের পক্ষে, ভালো নীতি ও আদর্শের পক্ষে এবং মানবতার কল্যাণের পক্ষে ভোট দিতে হবে। ভোটের প্রকৃত বিজয় তখনই হবে, যখন ইসলামের পক্ষে ভোট দেওয়া হবে।

জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, ইসলামী অনুশাসনে যদি দেশ পরিচালনা না করবেন তবে ২৪ এর জুলাই আন্দোলনের কী দরকার ছিল। এত প্রাণের বিনিময়ে, আবু সাইদ, মুগ্ধদের প্রাণ বিসর্জনের কোনো দরকার ছিল না। যারা ইসলাম ধর্মের অনুপ্রেরণা, নীতি ও শরিয়াহ আইন অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করবে না, তারা ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মো. শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ আসনের দলীয় মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মো. নুর বখত, ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিকসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।