চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশার সামনে আগুন জ্বালিয়ে ভিডিও ধারণের দায়ে এক যুবককে পাঁচ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওই যুবক অটোরিকশাটির চালক। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন তাঁকে এই কারাদণ্ড দেন।
দণ্ড পাওয়া যুবকের নাম তাফসিরুল ইসলাম। তিনি মগধরা ইউনিয়নেরই বাসিন্দা। একই ঘটনায় আরেক কিশোরকে আটক করা হলেও বয়স বিবেচনায় তাঁকে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারে নিয়োজিত অটোরিকশাটি শনিবার সন্ধ্যায় মগধরার একটি গ্রামীণ রাস্তায় দাঁড়িয়েছিল। এ সময় অটোরিকশার চালক ও সহকারী গাড়ি থেকে নেমে রাস্তার ওপর কিছু খড়কুটো জড়ো করে তাতে আগুন দেন। পরে তাঁরা আগুনের ভিডিও ধারণ করছিলেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন কর্মী প্রচারগাড়ির পাশে আগুন জ্বালানোর কারণ জিজ্ঞেস করেন। একপর্যায়ে ওই দুজনকে আটক করে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। এরপর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে দুজনকে জরিমানা করেন।
কারাদণ্ডের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অটোরিকশার চালক ও তাঁর সহকারী তাঁদের প্রচারগাড়ির কাছে আগুন জ্বালানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এরপর একজনকে পাঁচ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
জানতে চাইলে সন্দ্বীপে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রধান এজেন্ট মো. ওয়ালিদুল ইসলাম বলেন, ‘রাস্তায় খড়কুটো জড়ো করে আগুন জ্বালানো একটি অপরাধ। প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, গাড়ির চালক টিকটকের জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে আগুন পোহানোর ভিডিও বানাচ্ছিলেন।’ তিনি বলেন, দাঁড়িপাল্লার প্রচারকাজের জন্য গাড়িটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। এর চালক ও সহকারী জামায়াতে ইসলামীর কেউ নন।