সাতক্ষীরার তালায় ভূমিকম্পে কাঁচা ঘরের চালের টালি ভেঙে পড়েছে। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামে
সাতক্ষীরার তালায় ভূমিকম্পে কাঁচা ঘরের চালের টালি ভেঙে পড়েছে। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামে

সাতক্ষীরায় ভূমিকম্পে ঝরঝর করে ভেঙে পড়ল কাঁচা ঘরের টালি

ভূমিকম্পে সাতক্ষীরার তালায় একটি কাঁচা ঘরের চালের সব টালি ভেঙে পড়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আজ বেলা ১টা ৫২ মিনিট ২৯ সেকেন্ডে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভূকম্পন অনুভূত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। এটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প।

তালার উত্তরপাড়া গ্রামে ভূমিকম্পে ইসমাইল সরদারের কাঁচা ঘরের সব টালি ভেঙে পড়েছে। তবে এতে কেউ হতাহত হননি। তখন বাড়িতে কেউ ছিলেন না।

ইসমাইল সরদার জানান, তাঁরা আহলে হাদিস সম্প্রদায়ের। পরিবারের নারী-পুরুষ সবাই পাশের মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন। এ সময় হঠাৎ ভূমিকম্প শুরু হয়। বাড়ির পাশের মসজিদে থেকেই তাঁরা ঘরের চালের টালি ঝরঝর করে ভেঙে পড়ার শব্দ শুনতে পান। মসজিদের মধ্যে তাঁরা সবাই আতঙ্কে ছিলেন। কিছুক্ষণ পর এসে দেখেন তাঁদের লম্বা ঘরের সব টালি ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। তবে অন্য কোনো ক্ষতি হয়নি।

এ ছাড়া সাতক্ষীরা সদরের মাগুরা গ্রামের শুভ মণ্ডল জানান, ভূমিকম্পে তাঁর ঘরের দেয়াল ফেটে গেছে।

এদিকে ভূমিকম্পে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বড়পাথরা গ্রামে হালিম দফাদারের রান্নাঘরের দেয়াল ধসে পড়েছে। তবে এতে কেউ হতাহত হননি।

ভূমিকম্পে উপজেলা সদরের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শহরের পুরোনো বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আবদুল খালেকের পাঁচতলা ভবনের সামনের সড়কে অনেকে নেমে আসেন। স্থানীয় বাসিন্দা অসীম সেন জানান, ভূমিকম্পে তাঁরা ভয় পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন।

শহরের হাসপাতালপাড়ার বাসিন্দা শিক্ষক হালিমা খাতুন জানান, এর আগে কখনো এত বড় কম্পন অনুভব করেননি। তিনি তাঁর শিশুকে নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন।

কেশবপুরের নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক আইনজীবী আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, তিনি খাটের ওপর শুয়ে ছিলেন। ভূমিকম্পে তিনি খাট থেকে পড়ে যান।