বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের। রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়া এলাকায়
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের। রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়া এলাকায়

হাসনাবাদ গ্রিড উপকেন্দ্রের তার ছিঁড়ে নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ, ভোগান্তিতে গ্রাহকেরা

রাজধানীর হাসনাবাদ ১৩২ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের একটি তার ছিঁড়ে যাওয়ায় নারায়ণগঞ্জের অধিকাংশ এলাকায় কয়েক ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। আজ রোববার সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত তা স্বাভাবিক হয়নি। তীব্র গরমে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা।

ডিপিডিসি সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর হাসনাবাদ গ্রিড উপকেন্দ্রের একটি তার ছিঁড়ে পাশের আরেকটি সার্কিটের তারের ওপর পড়ে গেলে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়। এ কারণে নারায়ণগঞ্জ শহরসহ জেলার অধিকাংশ এলাকা বিদ্যুৎ–বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পানি সরবরাহ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বাভাবিক জনজীবনে প্রভাব পড়ে।

শহরের চাষাঢ়া এলাকার বাসিন্দা আরিফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সকাল থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় পানি উত্তোলন করা যাচ্ছে না। আইপিএসের ব্যাকআপও শেষ হয়ে গেছে। প্রচণ্ড গরমে বাচ্চাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। রান্নার কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে।
আল্লামা ইকবাল রোড এলাকার বাসিন্দা আনিছুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় বয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন অবস্থায় গরমে তাদের অবস্থা অসহনীয় হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে ডিপিডিসির নারায়ণগঞ্জ পশ্চিম জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে হাসনাবাদ ১৩২ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের একটি তার ছিঁড়ে অন্য একটি সার্কিটের তারের ওপর পড়ে যায়। এতে নারায়ণগঞ্জের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। খবর পাওয়ার পরপরই প্রকৌশলীরা মেরামতকাজ শুরু করেন। ইতিমধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এক থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে।