সাহাপাড়া খাল পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। আজ শুক্রবার দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায়
সাহাপাড়া খাল পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। আজ শুক্রবার দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায়

দিনাজপুর থেকে দেশের ৫৩ খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে দেশের ৫৩টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী সোমবার উপজেলার সাহাপাড়া থেকে তাঁর এ কর্মসূচি উদ্বোধন করার কথা আছে।

আজ শুক্রবার দুপুরে সাহাপাড়া–বলরামপুর খাল পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুরের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম, সাদিক রিয়াজ ও সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, পাউবোর উত্তরাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সরফরাজ বান্দাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে খাল পুনঃখনন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে খনন করা অনেক খাল এখন ভরাট হয়েছে। এসব খাল পুনঃখননের মাধ্যমে সেচব্যবস্থা উন্নয়ন, মাছ চাষ, হাঁস পালনসহ খালনির্ভর অর্থনীতি শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাহিদ হোসেন জানান, সাহাপাড়ার প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল খননের ফলে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ উপকৃত হবেন। এতে অতিরিক্ত বন্যা থেকে সুরক্ষা মিলবে এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচের সুবিধা পাওয়া যাবে।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বিএডিসির সমন্বয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে জানিয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, শুধু খনন নয়, খালের পাড় রক্ষা, বাঁধ নির্মাণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও নেওয়া হবে। খালের পানি বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে কৃষি উৎপাদন বাড়ে এবং স্থানীয় মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে ১৬ মার্চ তিনি আকাশপথে সৈয়দপুরে পৌঁছাবেন। সেখান থেকে কাহারোলের সাহাপাড়ায় গিয়ে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন এবং একটি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। পরে দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর কবরস্থানে তাঁর নানা–নানি ও খালার কবর জিয়ারত করবেন। এরপর স্থানীয় সুধীজন ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ইফতারে অংশ নেবেন।