হিজড়া খাল প্রশস্ত করতে ভাঙা হচ্ছে কাছাকাছি থাকা দুটি দশতলা ভবন। প্রায় একই আয়তন হলেও দুটি ভবনের একটির ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে অন্যটির দ্বিগুণ। সম্প্রতি চট্টগ্রামের কাতালগঞ্জে
হিজড়া খাল প্রশস্ত করতে ভাঙা হচ্ছে কাছাকাছি থাকা দুটি দশতলা ভবন। প্রায় একই আয়তন হলেও দুটি ভবনের একটির ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে অন্যটির দ্বিগুণ। সম্প্রতি চট্টগ্রামের কাতালগঞ্জে

চট্টগ্রাম নগর

দুই ভবনের আয়তন কাছাকাছি, ক্ষতিপূরণে দ্বিগুণ ফারাক

খাল প্রশস্ত করতে ভাঙতে হবে পাশাপাশি দুটি ১০ তলা ভবন। একটি ভবনের তুলনায় অন্যটি পুরোনো এবং আয়তনও কম। কিন্তু ক্ষতিপূরণের জন্য স্থাপনার মূল্য নির্ধারণে দেখা গেছে বড় ধরনের ফারাক। পুরোনো ও তুলনামূলক কম আয়তনের ভবনটির মূল্য ধরা হয়েছে ১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আর পাশের নতুন ও বড় ভবনটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় অর্ধেক—৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

স্থাপনার মূল্য নির্ধারণে এই ‘অসামঞ্জস্যের’ ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান বড় প্রকল্পে। প্রকল্পের আওতায় হিজড়া খালের প্রশস্ততা বাড়াতে নগরের কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকায় কনকচাঁপা ও বাদশা নূরী নামে দুটি ভবন ভাঙতে হবে। ভবন দুটির স্থাপনার ক্ষতিপূরণ মূল্য নির্ধারণ করেছে গণপূর্ত বিভাগের চট্টগ্রাম কার্যালয়।

কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকার দুটি ভবনের মূল্য নির্ধারণে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর পুনর্মূল্যায়নের জন্য গণপূর্ত বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে এবং মন্ত্রণালয়কেও জানানো হয়েছে।
আহমদ মঈনুদ্দিন, পরিচালক, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প

মূল্যায়নে এমন অসামঞ্জস্যের অভিযোগ তুলে গত ১২ আগস্ট গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চিঠি দিয়েছেন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান মো. বেলায়েত হোসেন। দুটি ভবনের মূল্য পুনর্মূল্যায়নের জন্য গণপূর্ত বিভাগকে অনুরোধ করলেও এখন পর্যন্ত সাড়া পায়নি সংস্থাটি। তবে গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলীদের দাবি, তাঁদের কাছে দেওয়া নকশার ভিত্তিতে তাঁরা স্থাপনার মূল্য নির্ধারণ করেছেন। এখানে তাঁদের ভুল বা ত্রুটি নেই।

সিডিএর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও নির্বাহী প্রকৌশলী আহমদ মঈনুদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকার দুটি ভবনের মূল্য নির্ধারণে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর পুনর্মূল্যায়নের জন্য গণপূর্ত বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে এবং মন্ত্রণালয়কেও জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দিতে গেলে প্রকল্পের বাজেটে ঘাটতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় নগরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১ হাজার ৮০০ ভবনের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে। উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে এসব স্থাপনার ক্ষতিপূরণ বাবদ মোট ১৬৭ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। কিন্তু শুধু হিজড়া খালের এই দুটি ভবনের জন্যই বর্তমানে নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী প্রায় ৫৭ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

গণপূর্ত বিভাগের চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর রাশেদুল করিম প্রথম আলোকে বলেন, সিডিএর অনুরোধে গণপূর্ত বিভাগ মূল্য নির্ধারণ করে থাকে। মূল্য নির্ধারণ করা হয় গণপূর্তের চলমান রেট শিডিউল অনুযায়ী। সে ক্ষেত্রে ভবনটির মোট আয়তন, নির্মাণ সাল ও ভবনমালিক কর্তৃক প্রদত্ত ভবনের নকশা অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করা হয়। তাই একেকটা ভবনের একেক রকম মূল্য নির্ধারিত হয়।

সিডিএ সূত্র জানায়, জমি অধিগ্রহণের কাজ করে জেলা প্রশাসন। আর অধিগ্রহণের আওতায় পড়া স্থাপনার মূল্য নির্ধারণ করে গণপূর্ত বিভাগ। পরে তা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সিডিএকে দেওয়া হয়। নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় ৩৬টি খালের কাজ রয়েছে। এ প্রকল্পে মোট ব্যয় হচ্ছে ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা। অধিকাংশ খালের কাজ শেষ হলেও জমি অধিগ্রহণ ও অর্থ বরাদ্দসংক্রান্ত জটিলতায় হিজড়া খালের কাজ দীর্ঘদিন আটকে ছিল। সম্প্রতি এসব জটিলতা কাটতে শুরু করায় খালটির জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।

সিডিএর তথ্য অনুযায়ী, কাতালগঞ্জ এলাকায় হিজড়া খালের বর্তমান প্রশস্ততা প্রায় ১২ ফুট। প্রকল্পের আওতায় এটি বাড়িয়ে ২৭ ফুট করা হবে। পাশাপাশি খালের পাশে ১৫ ফুট প্রশস্ত একটি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য জমি অধিগ্রহণের পাশাপাশি দুটি ভবনও অপসারণ করতে হচ্ছে।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, সিডিএ ও গণপূর্ত বিভাগের নথিপত্র অনুযায়ী, হিজড়া খালের প্রশস্ততা বাড়াতে নগরের কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকায় কনকচাঁপা ও বাদশা নূরী নামে দুটি ১০ তলা ভবন অপসারণ করতে হচ্ছে। কনকচাঁপা ভবনটি নির্মিত হয়েছে ২০১০ সালে। ভবনটিতে ২৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে। এই ভবনের মোট নির্মিত আয়তন (বিল্টআপ এরিয়া) ৫৪ হাজার ২৭৫ বর্গফুট। গণপূর্ত বিভাগ ভবনটির স্থাপনা মূল্য নির্ধারণ করেছে ১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

অন্যদিকে এর পাশের বাদশা নূরী ভবনটি নির্মিত হয়েছে ২০১৩ সালে। অর্থাৎ এটি কনকচাঁপার চেয়ে নতুন। ভবনটিতে ফ্ল্যাট রয়েছে ৩৬টি এবং এর মোট আয়তন ৫৮ হাজার ২০০ বর্গফুট। অর্থাৎ আয়তনের দিক থেকেও এটি কনকচাঁপার চেয়ে বড়। কিন্তু ভবনটির স্থাপনা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। দুটি ভবনের স্থাপনা মূল্যের ব্যবধান ৯ কোটি ১৩ লাখ টাকার বেশি।

ভবনের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া হিজড়া খাল

আইন অনুযায়ী, স্থাপনার নির্ধারিত মূল্যের দ্বিগুণ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। সে হিসাবে কনকচাঁপা ভবনের জন্য প্রায় ৩৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা এবং বাদশা নূরী ভবনের জন্য প্রায় ১৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। অর্থাৎ মোট ক্ষতিপূরণ দিতে হবে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা।

দুটি ভবনের মূল্যায়নপদ্ধতিতেও পার্থক্যের অভিযোগ তুলেছে সিডিএ। সংস্থাটির মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠি অনুযায়ী, কনকচাঁপা ভবনের ২৪টি ফ্ল্যাটের জন্য পৃথকভাবে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই প্রকৃতির ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে কোথাও ৭৬ লাখ টাকা করে মূল্য ধরা হলেও কয়েকটি ফ্ল্যাটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৩ লাখ থেকে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে বাদশা নূরী ভবনের ৩৬টি ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে পৃথকভাবে মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি। পুরো ভবনের জন্য একসঙ্গে ৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা স্থাপনা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সিডিএ সূত্র জানায়, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় নগরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১ হাজার ৮০০ ভবনের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে। উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে এসব স্থাপনার ক্ষতিপূরণ বাবদ মোট ১৬৭ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। কিন্তু শুধু হিজড়া খালের এই দুটি ভবনের জন্যই বর্তমানে নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী প্রায় ৫৭ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সিডিএর আশঙ্কা, এভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে গেলে প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ অর্থে ঘাটতি তৈরি হতে পারে।

সিডিএর অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, ভবনের নকশাসংক্রান্ত যে কাগজপত্র দেওয়া হয়েছে, তার ভিত্তিতে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো ভবনের স্থাপনার মূল্য বাড়িয়ে কিংবা কমিয়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মূল্য নিয়ে সিডিএ আপত্তি দিয়েছিল। এরপর তাঁরা আবার যাচাই করে দেখেছেন, দর নির্ধারণে কোনো ভুল বা ত্রুটি খুঁজে পাননি। পুনর্মূল্যায়নের জন্য ভবনের বিভিন্ন তথ্য চেয়ে সিডিএকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সিডিএ সেসব তথ্য আর দেয়নি।

গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মনোজ দে একই দাবি করে বলেন, বাদশা নূরী নামে ভবনের বিষয়ে কোনো আপত্তি দেয়নি সিডিএ। কনকচাঁপা ভবনের জন্য আপত্তি দিয়েছে। তাঁদের কাছে যে নকশা জমা দেওয়া হয়েছিল, তার ভিত্তিতেই মূল্য নির্ধারণ করেছেন। এখন নকশা না মেনে বাড়তি জায়গার ওপর ভবন করা হলে তো তাঁদের কিছু করার নেই। দাম নির্ধারণে এখানে তাঁদের কোনো ভুল নেই।

অস্তিত্বহীন সরঞ্জামেরও মূল্যায়নের অভিযোগ

কনকচাঁপা ভবনের বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের মূল্যায়ন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সিডিএ। ভবনমালিক পক্ষের দেওয়া বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির তালিকা প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা যৌথভাবে সরেজমিন যাচাই করেন। পরিদর্শনে তালিকাভুক্ত কয়েকটি সরঞ্জামের সংখ্যা এবং বাস্তবে পাওয়া সরঞ্জামের মধ্যে অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়।

পরিদর্শন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালিকায় চারটি সেন্ট্রিফিউগাল পাম্পের উল্লেখ থাকলেও ভবনে পাওয়া গেছে একটি। একইভাবে ১৬টি সিসিটিভি ক্যামেরার কথা উল্লেখ থাকলেও ১৪টি পাওয়া যায়নি। আর ২৫টি টেলিফোন সেটসহ পিএবিএক্স সিস্টেমের উল্লেখ থাকলেও পরিদর্শনের সময় সেগুলো পাওয়া যায়নি।

সরেজমিনে পাওয়া না যাওয়া এসব সরঞ্জামের মূল্য কীভাবে স্থাপনার মূল্যায়নের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সিডিএ। এ কারণে বৈদ্যুতিক সরঞ্জামগুলোর মূল্যও পুনর্নির্ধারণের জন্য গণপূর্ত বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রথম আলোকে বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অধিগ্রহণ করা ভবনের স্থাপনার মূল্য দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগ নির্ধারণ করে দেয়। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সেই মূল্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়। মূল্য নির্ধারণ নিয়ে কোনো দপ্তর বা বিভাগের অভিযোগ থাকলে তা যাচাইয়ের জন্য তদন্ত করা হয়। তবে কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকার এই দুটি ভবনের মূল্যায়ন নিয়ে তাঁর কাছে এখনো কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি।

আগেও কমেছে প্রায় ৪৯ লাখ টাকা

স্থাপনার মূল্য নির্ধারণ নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছিল বলে জানিয়েছে সিডিএ। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, নগরের পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকায় জলাবদ্ধতা প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণের আওতায় পড়া একটি একতলা পাকা ভবন ও সীমানাদেয়ালের মূল্য প্রথমে নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫৬ লাখ ৩১ হাজার টাকা।

মূল্য অস্বাভাবিক বেশি মনে হওয়ায় সিডিএ আপত্তি জানায়। পরে পুনর্মূল্যায়ন করা হলে ওই স্থাপনার মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ পুনর্মূল্যায়নে মূল্য কমে যায় প্রায় ৪৯ লাখ টাকা। সিডিএর কর্মকর্তাদের মতে, আগের ঘটনাটি হিজড়া খালের দুটি ভবনের মূল্য পুনর্মূল্যায়নের দাবিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

সিডিএর চেয়ারম্যান মো. বেলায়েত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘একই ধরনের দুটি ভবনের একটির মূল্য ১৮ কোটি টাকা, আরেকটির ৯ কোটি টাকা—এ রকম কেন হবে? দুটি ভবনের মূল্যায়নে এমন পার্থক্য কোনোভাবেই মানতে পারছি না। সরকারের এত টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হলে বিষয়টি জনমনে প্রশ্ন তৈরি করবে। বিষয়টি আমরা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি, গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীকেও জানিয়েছি।’

সিডিএর চেয়ারম্যান বলেন, প্রকল্পের অ্যালাইনমেন্টের (নকশা অনুযায়ী নির্ধারিত এলাকা) মধ্যে থাকা ভবনগুলোর মূল্য গণপূর্ত বিভাগ নির্ধারণ করে এবং সে অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। মূল্যায়ন পুনর্বিবেচনার জন্য ফাইল গণপূর্ত বিভাগের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত ও যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করা উচিত। গণপূর্ত বিভাগ বর্তমান মূল্যায়ন পুনর্বিবেচনা না করলে তাঁরা গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন।