সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের লহরপাড়া গ্রাম থেকে রহিম শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার
সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের লহরপাড়া গ্রাম থেকে রহিম শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার

সৎমা হত্যা মামলায় কারাভোগ করেছেন, এবার মা হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে সামেলা বেগম (৬৫) নামের এক নারীকে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁর ছোট ছেলে রহিম শেখকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুর পৌরসভার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুর রহমান মোল্লাডাঙ্গী এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত সামেলা বেগম ওই এলাকার বাসিন্দা প্রয়াত মুদি ব্যবসায়ী আকবর শেখের স্ত্রী। হত্যাকাণ্ডের প্রায় আট ঘণ্টা পর গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের লহরপাড়া গ্রামে তাঁর ফুফুর বাড়ি থেকে রহিম শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

১০ বছর আগে সৎমাকেও হত্যার অভিযোগ তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় ছয় বছর কারাগারে ছিলেন। চার বছর আগে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বড় ছেলে শাহিন শেখ বাদী হয়ে গতকাল রাতে ছোট ভাই রহিম শেখকে একমাত্র আসামি করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুর ১২টার দিকে রহিম শেখ তাঁর মা সামেলা বেগমকে হত্যা করে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ১০ বছর আগে সৎমাকেও হত্যার অভিযোগ তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় ছয় বছর কারাগারে ছিলেন। চার বছর আগে তিনি জামিনে মুক্তি পান। রহিম শেখ মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মাঝেমধ্যে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতেন।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক সুকান্ত দত্ত বলেন, সালেমা বেগম হত্যার ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বড় ছেলে শাহিন শেখ বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। কাঠের বাটাম দিয়ে মাথায় আঘাত করে সালেমা বেগমকে হত্যা করেন রহিম। আজ শুক্রবার রহিমকে সঙ্গে নিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঠের বাটাম উদ্ধারে অভিযান শুরু করা হয়েছে।