বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার আগে অনুশীলনের সময় টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকতে কয়েকজন সাঁতারু। গতকাল বিকেলে
বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার আগে অনুশীলনের সময় টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকতে কয়েকজন সাঁতারু। গতকাল বিকেলে

বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেবেন ৩৭ সাঁতারু, চলছে অনুশীলন

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ সৈকত থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ। ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার এই সাগরপথকে বলা হয় ‘বাংলা চ্যানেল’। এবার এই বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেবেন দুই নারীসহ দেশের ৩৭ জন সাঁতারু।

আগামীকাল রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় এই সাঁতার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবার সাঁতারুরা দল বেঁধে অনুশীলন করেছেন শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকতে। আজও চলবে অনুশীলন।

সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘১৯তম ঢাকা ব্যাংক বাংলা চ্যানেল সাঁতার ২০২৬’ শীর্ষক এই উৎসবের আয়োজন করছে ‘ষড়জ অ্যাডভেঞ্চার’। ২০০৬ সাল থেকে ষড়জ অ্যাডভেঞ্চার সাঁতারের এই ইভেন্ট নিয়মিত আয়োজন করে আসছে।

ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) লিপটন সরকার বলেন, সাঁতার প্রতিযোগিতা সব আয়োজন এরই মধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। দুই নারীসহ ৩৭ জন সাঁতারু শাহপরীর দ্বীপ পশ্চিম সৈকতে সাঁতারের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আগামীকাল রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হবে। সাঁতারুদের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও টুরিস্ট পুলিশ সহযোগিতা করছে।

শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকতে অনুশীলন করছেন কয়েকজন সাঁতারু। গতকাল বিকেলে

২০ বার বাংলা চ্যানেল অতিক্রমকারী সাঁতারু লিপটন সরকার আরও বলেন, এই সাঁতার আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে পরিচালনা করা হয়। নিরাপত্তার জন্য প্রত্যেক সাঁতারুর সঙ্গে একটি করে উদ্ধারকারী বোট, পুরো আয়োজনে একাধিক দিকনির্দেশক বোট এবং অতিরিক্ত বোট রাখা হবে।

২০০৬ সালের ১৪ জানুয়ারি বাংলা চ্যানেলে প্রথম সাঁতারের আয়োজন করা হয়েছিল। এর আবিষ্কারক ‘অ্যাডভেঞ্চার গুরু’খ্যাত কাজী হামিদুল হকের তত্ত্বাবধানে প্রথমবার ফজলুল কবির সিনা, লিপটন সরকার ও সালমান সাঈদ এই চ্যানেল পাড়ি দেন।