বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস শাজাহানপুরে স্থাপনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আজ মঙ্গলবার
বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস শাজাহানপুরে স্থাপনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আজ মঙ্গলবার

বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস শাজাহানপুরে স্থাপনের দাবিতে দেড় ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ

বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস শাজাহানপুর উপজেলার জামালপুর এলাকায় স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে জামালপুর এলাকায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

আজ বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঢাকা–রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইনে স্থায়ী ক্যাম্পাস শাজাহানপুর উপজেলার জামালপুর এলাকায় স্থাপনের কথা উল্লেখ ছিল। কিন্তু সংশোধিত আইনে বগুড়া জেলার যেকোনো স্থানে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংশোধিত আইনে জামালপুরের নাম না থাকায় এলাকাবাসী হতাশ।

বক্তারা আরও বলেন, জেলার যোগাযোগব্যবস্থার দিক থেকে শাজাহানপুরের জামালপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। জাতীয় মহাসড়কের কাছাকাছি হওয়ায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা এবং পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও সহজে এখানে যাতায়াত করা যায়। পর্যাপ্ত অবকাঠামো উন্নয়নের সুযোগ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য এলাকাটি উপযুক্ত। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া জামালপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এলাকাবাসী সেই ঘোষণার বাস্তবায়ন চান।

সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত বিষয়টি বিবেচনার দাবি জানান। প্রয়োজনে দাবি আদায়ে ধারাবাহিক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের ঘোষণাও দেন তাঁরা।

শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাইফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, জেলা প্রশাসক মহোদয় নিজেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাবাসীর দাবি যথাযথ স্থানে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করলে অবরোধকারীরা মহাসড়ক থেকে সরে যান।

বগুড়ার শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করার পর অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। এরপর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।