
মহিনী রানী, করুণা রানী, জবা রানী—তিন প্রজন্মের ভোটার। করুণার শাশুড়ি মহিনী আর জবা করুণার পুত্রবধূ। এই তিন প্রজন্ম আজ একসঙ্গে ভোট দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে জবা রানী প্রথমবারের মতো ভোট দিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের দক্ষিণ বঠিনা উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে তাঁদের সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা নারী ভোটারদের সারিতে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
করুণা রানী বলেন, ‘আমরা তিন প্রজন্মের তিন বউ।’ শাশুড়িকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘উনি (মহিনী) আমার শাশুড়ি। আর ওইটা (জবা) আমার ছেলের বউ। সবাই একসঙ্গে ভোট দিতে এসেছি।’
ভোট দিয়ে ফেরার সময় করুণা জানালেন, ‘১৫ বছর আগে আমার শ্বশুর মারা গেছেন। আমার স্বামী রনজিৎ ও ছেলে অনুপম রায় ব্যবসা করে। অনুপমের স্ত্রী হলো জবা।’ তিনি বলেন, ‘সকালে আগে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির কাজ সেরে ফেলি। এরপর সকাল আটটার দিকে কেন্দ্রের দিকে রওনা হই। এখানে এসে দেখি অনেক মানুষ।’
করুণার শাশুড়ি মহিনী রানী বললেন, ‘শরীরখান ভালো যাছে না। বউ-শাশুড়ি মিলে ভোট দিতে আসিছু। জবা ফের ওরা ছুয়াটাক ধরে আইসছে।’ জবা রানী বলেন, ‘জীবনে প্রথমবার ভোট দিলাম। বউ-শাশুড়ি মিলে এসেছি। এই ভোটটা স্মরণীয় হয়ে থাকল।’