গাজীপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধরের শিকার এক কর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে রেস্তোরাঁমালিক নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে নিহত ব্যক্তির ছেলে লীমন ঘোষ (২৮) বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন।
ওই ঘটনায় আটক তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ রোববার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা হলেন কালীগঞ্জ পৌরসভার বালিগাঁও এলাকার মোহাম্মদ স্বপন মিয়া (৫৫), তাঁর স্ত্রী মাজেদা খাতুন (৪৫) ও ছেলে মাসুম মিয়া (২৮)।
নিহত ব্যবসায়ী লিটন চন্দ্র ঘোষ (৫৫) কালীগঞ্জ পৌরসভার চান্দাইয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি বড়নগর সড়কের পৌরসভা–সংলগ্ন এলাকার ‘বৈশাখী সুইটমিট অ্যান্ড হোটেল’–এর মালিক ছিলেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বেলা ১১টার দিকে মাসুম মিয়া ওই রেস্তোরাঁয় যান। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রেস্তোরাঁর কর্মী অনন্ত দাশের (১৭) সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। মাসুম মিয়া ফোন করে বিষয়টি তাঁর পরিবারকে জানান। মাসুমের ফোন পেয়ে তাঁর বাবা স্বপন মিয়া ও মা মাজেদা খাতুন ঘটনাস্থলে আসেন। তাঁরা অনন্ত দাশকে মারধর করেন। পরিস্থিতি শান্ত করতে লিটন এগিয়ে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে সেখানে থাকা বেলচা দিয়ে লিটনের মাথায় আঘাত করা হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এরপর স্থানীয় লোকজন তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ওই ঘটনায় ওই দিন মধ্যরাতে নিহত ব্যক্তির ছেলে লীমন ঘোষ বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।