
শরীয়তপুরের নড়িয়ার পদ্মা নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে সিমেন্টবোঝাই তিনটি ট্রলার ডুবে গেছে। ট্রলারগুলোতে অন্তত ছয় হাজার ব্যাগ (বস্তা) সিমেন্ট ছিল বলে জানিয়েছেন ট্রলারের শ্রমিকেরা। আজ শুক্রবার দুপুরে নড়িয়া উপজেলার বাঁশতলা এলাকায় এসব ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। তবে কেউ হতাহত হননি।
একই সময়ে পদ্মা নদীর বিভিন্ন নৌপথে চলাচলকারী অন্তত আটটি যাত্রীবাহী ট্রলার ঝড়ের কবলে পড়ে। তবে এসব ট্রলার থেকে যাত্রীদের নিরাপদে তীরে নামিয়ে দেওয়া হয়। শরীয়তপুর–চাঁদপুর নৌপথ, কাচিকাটা–চরভাগা নৌপথ ও নড়িয়া চরআত্রা নওপাড়া নৌপথে এ ঘটনা ঘটে।
নৌ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে হঠাৎ করে ঝোড়ো হাওয়া বইতে থাকে। তখন নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জে পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে যাত্রী ও পণ্যবাহী নৌযান চলছিল। ওই সময় ঢাকা থেকে সিমেন্ট বোঝাই করে তিনটি ট্রলার ঝালকাঠি, ইন্দুরকানি ও গৌরনদীর দিকে রওনা যাচ্ছিল। দুপুরে নড়িয়ায় পদ্মা নদীতে পৌঁছালে বৈরী আবহাওয়ার কারণে পড়ে ট্রলারগুলো। ঢেউয়ের ধাক্কায় একে একে তিনটি ট্রলার ডুবে যায়। তবে ট্রলারে থাকা চালক ও শ্রমিকেরা সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
দেলোয়ার হোসেন নামের এক ট্রলারের চালক বলেন, ‘প্রচণ্ড ঢেউ ও ঝড়ের কবলে পড়ে আমাদের বহরের তিনটি ট্রলার নদীতে তলিয়ে যায়। ট্রলারগুলোতে সাড়ে ছয় হাজার বস্তা সিমেন্ট ছিল। জীবন বাঁচাতে ট্রলার থেকে আমরা লাফিয়ে নদীতে পড়ি। তখন স্থানীয় মানুষেরা আমাদের উদ্ধার করেন।’
সুরেশ্বর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবদুল জলিল বলেন, ‘ঝড়ের কবলে পড়ে তিনটি ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পেয়েছি। চালকেরা সাঁতরে তীরে ওঠায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এ ছাড়া নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জের পদ্মা নদীর বিভিন্ন নৌপথের ৭-৮ টি যাত্রীবাহী ট্রলার ঝড়ের কবলে পড়েছিল। চালকেরা ওই ট্রলারগুলো নিরাপদে তীরে নিয়ে গেছেন।’