জুবাইদা রহমানের উদ্যোগে বগুড়ায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও কিশোরদের জন্য হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। শুক্রবার দুপুরে বগুড়ার একটি হোটেলে
জুবাইদা রহমানের উদ্যোগে বগুড়ায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও কিশোরদের জন্য হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। শুক্রবার দুপুরে বগুড়ার একটি হোটেলে

বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে জাতিকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ক্রীড়ায় যুক্ত করা হবে: জুবাইদা রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান বলেছেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক সুষ্ঠু পরিকল্পনা আছে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় সুস্বাস্থ্য ছড়িয়ে দেওয়া হবে, শিক্ষার সঙ্গে হ্যাপিনেসকে যুক্ত করা হবে। বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে জাতিকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ক্রীড়ায় যুক্ত করা হবে। বিভিন্ন জেলার শিশু-কিশোরদের জন্য খেলাধুলার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। এভাবে তারা স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ক্রীড়ায় এগিয়ে যাবে।’

শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার হোটেল নাজ গার্ডেনের বলরুমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও কিশোরদের জন্য হুইলচেয়ার বিতরণ ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ অনুষ্ঠানের আয়োজন ও সঞ্চালনা করেন সিএসএফ গ্লোবালের চেয়ারম্যান এম এ মুহিত। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও কিশোরেরা নিজেদের তৈরি হস্তশিল্প পণ্য তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানকে উপহার দেয়। এ ছাড়া তারা ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’ গানটি গেয়ে শোনায়। সিএসএফ গ্লোবাল নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সহায়তার বৃত্তিমূলক নানা প্রশিক্ষণ নিয়েছে। অনুষ্ঠানে জুবাইদা রহমানের পক্ষ থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও কিশোরদের মধ্যে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়।

জুবাইদা রহমান বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতিভা দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের যে প্রতিভা দেখলাম, তা সত্যি শিশুস্বর্গ। শিশুদের একটি স্বর্গের মতো স্থানে নিয়ে যেতে হবে, যেখানে তারা নিজেদের প্রতিভা ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে অন্ধকার থেকে আলোয় এগিয়ে যেতে পারে।’ সিএসএফ নামে প্রতিষ্ঠানটির প্রশংসা করে জুবাইদা রহমান বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আজকের শিশুরাই হবে আগামী দিনে দেশ গড়ার মহা সৈনিক।’

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি সামাজিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে এসব মানুষের পাশে দাঁড়াই, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ অনেক প্রতিভা বের করে আনতে পারবে, প্রতিভাবান মানুষকে বের করে আনতে পারবে। খুব বেশি কিছু করার দরকার হবে না, শুধু এই মানুষগুলোকে সুযোগ করে দেওয়া, যাতে তারা আর দশজনের মতো দুনিয়ার আলো-বাতাসে ভালোভাবে, স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারে। খুব বেশি কিছু নয়, ন্যূনতম ব্যবস্থা করা এই মানুষগুলো যাতে নিজেদের প্রতিভা বিকশিত করতে পারে, সেই সুযোগ তাদের তৈরি করে দিতে হবে। কারণ, তারাও মানুষ, তারা আমাদের বাইরে নয়, তারাও আমাদের ভেতরের মানুষ। আমাদের পরিবারের কাউকে না কাউকে সেই দায়িত্ব নেওয়া উচিত।’