মারামারি
মারামারি

গাইবান্ধায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা–কর্মীদের সংঘর্ষে আহত ৮

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতা–কর্মীদের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের জুনদহ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ ছিল।

স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, গতকাল সন্ধ্যায় পূর্ববিরোধের জেরে বিএনপির কর্মীরা বরিশাল ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের এক নেতাকে মারধর করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে দুই পক্ষের নেতা–কর্মীরা ধীরে ধীরে জুনদহ বাজারে জড়ো হন। একপর্যায়ে রাত ১০টার দিকে তাঁদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুস সামাদসহ উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজনকে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুস সামাদকে ভর্তি করা হয়েছে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, সংঘর্ষের সময় জুনদহ বাজারের কয়েকটি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু আলা মওদুদ মুঠোফোনে বলেন, জামায়াত–শিবিরের কর্মীরা বিএনপির নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন। এতে উপজেলা বিএনপির সভাপতিসহ তিনজন মারাত্মক আহত হন।

তবে পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির কর্মীরা প্রথমে শিবিরের এক নেতাকে মারধর করেন। পরে দলবল নিয়ে এসে তাঁরা জামায়াতের নেতা–কর্মীদের মারধর করেন। এতে জামায়াতের শুরা সদস্য, শিবিরের কর্মীসহ চার-পাঁচজন আহত হন।

পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারওয়ার আলম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’