কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম বোমাংখিল গ্রামে তামাক পাতা পোড়ানোর জন্য পাতা বাছাই করছেন ফ্রমিকেরা। গত শুক্রবার দুপুরে তোলা
কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম বোমাংখিল গ্রামে তামাক পাতা পোড়ানোর জন্য পাতা বাছাই করছেন ফ্রমিকেরা। গত শুক্রবার দুপুরে তোলা

তামাকের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন থাকে যে গ্রাম, শ্বাস নিলেও ঢোকে বিষাক্ত ধোঁয়া

কক্সবাজারে রামুর গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড়, চকরিয়া, ঈদগাঁও, উখিয়া এবং পাশের বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর, সোনাইছড়ি, দোছড়ি, বাইশারী ইউনিয়নে অন্তত ১৩ হাজার একর জমিতে তামাকের চাষ হচ্ছে। আর তামাক পাতা পোড়ানোর জন্য ঘরের আঙিনায়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, নদী-খালের পাশে স্থাপন করা হয়েছে ৫ হাজার ৬০০টি চুল্লি। এসব তামাকের চুল্লিতে পোড়ানো হচ্ছে বনের কাঠ। তামাকের বর্জ্য মিশছে খাল, নদী ও জলাশয়ে। এতে মারাত্মকভাবে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি তামাক চুল্লির ধোঁয়ার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন নারী, শিশুসহ তামাকের জমির আশপাশের বাসিন্দারা।

কক্সবাজার শহর থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম বোমাংখিল গ্রাম। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ কয়েক বছর আগেও সবজি, ধান ফলাতেন জমিতে। এখন পুরো গ্রাম তামাকের দখলে। কিছুদিন ধরে খেত থেকে সবুজ পাতা কাটা হচ্ছে। পাতা কাটার পর সেসব নেওয়া হবে চুল্লিতে পোড়ানোর জন্য। গ্রামজুড়ে রয়েছে ৮০টির মতো তামাক চুল্লি। কয়েকটি বাড়ি পরপর একটি চুলা জ্বলতে দেখা যায়। বিকেল আর সন্ধ্যার দিকে তামাকের ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় গোটা গ্রাম। সে সময় নিশ্বাস নেওয়াও কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়।

পশ্চিম বোমাংখিল গ্রামের দক্ষিণ পাশে কৃষক মনির আহমদের বাড়ি। ৮ মে দুপুরে বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল, আঙিনায় নির্মিত একটি চুল্লির আগুনে পোড়ানো হচ্ছে তামাক পাতা। চুল্লির পাশে স্তূপ করে রাখা হয়েছে জ্বালানি কাঠ। কয়েকজন নারী ও শিশু সবুজ পাতা পোড়ানোর জন্য আঁটি বাঁধার কাজ করছে। তামাকের ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে বলে তারা জানায়। কথা বলতে বলতে কয়েকজনকে কাশতে দেখা গেল।

সেখানে রহিমা বেগম নামের এক নারী শ্রমিক কাজ করতে করতে শরীর চুলকাচ্ছিলেন। বললেন, ‘সারা দিন চুল্লিতে তামাক পুড়িয়ে মজুরি পাই ৫০০ টাকা। তামাকের রস হাতে লাগলে চামড়া উঠে যায়। সব সময় চুলকাতে থাকে। সর্দি, কাশি তো আছেই। এলাকায় কোনো বিকল্প কাজ নেই বলে তামাক পোড়ানোর কাজ নিয়েছি।’

চুল্লির মালিক মনির আহমদ (৬০) বলেন, চলতি মৌসুমে তিনি দুই একর জমিতে তামাক চাষ করেন। এক একরের পাতা পোড়াতে প্রায় ১২০ মণ কাঠ লাগে। সব কাঠ বনাঞ্চল থেকে লোকজন সংগ্রহ করে চুল্লিতে এনে দেন। মনির আহমদ বলেন, একই জমিতে তিনি চার বছর আগে ধান ও সবজির চাষ করতেন। লোকসান গুনতে হয় বলে তিনি তামাক চাষে ঝুঁকেছেন। তামাক চাষে লাভ বেশি। বিনা মূল্যে চারা, কীটনাশক ছাড়াও নগদ টাকা সহায়তা পাওয়া যায়। সব খরচ বাদ দিলে প্রতি একর তামাক চাষে তাঁর এক লাখ টাকার বেশি লাভ থাকবে।

পাশে পাঁচ একর জমিতে তামাক চাষ করছেন কৃষক সাকের আহমদ ও সাইফুল ইসলাম। পাতা পোড়ানোর জন্য দুজনের বাড়িতে নির্মাণ করা হয় দুটি চুল্লি। বনের কাঠ পুড়িয়ে তামাক পাতা পোড়ানোর কারণ জানতে চাইলে সাকের আহমদ (৫৩) বলেন, কোনো চুল্লিতে কয়লার ব্যবহার নেই। কাঠ দিয়ে তামাক পোড়াতে হয়। বন থেকে তিনি নিজে কাঠ কাটেন না। লোকজন এসে দিয়ে যায়।

পরিবেশকর্মী ও বিভিন্ন সংস্থার হিসাবে কক্সবাজার ও বান্দরবানে ১৩ হাজার একর জমিতে তামাকের চাষ হচ্ছে। তামাক চুল্লি আছে ৫ হাজার ৬০০টি। বনাঞ্চলের কাঠ দিয়েই শতভাগ চুল্লিতে তামাক পাতা পোড়ানো হচ্ছে। ইটভাটার কালো ধোঁয়ার চেয়ে বিষাক্ত তামাকের ধোঁয়া স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। অথচ কোনো চুল্লির জন্য পরিবেশের ছাড়পত্র নেওয়া হয় না। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এক একর জমিতে উৎপাদিত তামাক পাতা চুল্লিতে পোড়াতে লাগে গড়ে ১৩০ মণ কাঠ। সে হিসাবে ১৩ হাজার একরের তামাক পাতা পোড়াতে ৫ হাজার ৬০০ চুল্লিতে লাগে ১৬ লাখ ৯০ হাজার মণ কাঠ। পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও মাটির গুণাগুণের মারাত্মক ক্ষতির বিষয়টি জেনেও লাভের আশায় চাষিরা তামাক চাষে ঝুঁকছেন।

তামাকচাষি সাইফুল ইসলাম (৩৯) বলেন, চুল্লিতে তামাক পাতা পোড়াতে যে পরিবেশ ছাড়পত্র লাগে, তা তাঁর জানা নেই। এক যুগ ধরে তিনি চুল্লিতে বনের কাঠ পুড়িয়ে তামাক উৎপাদন করছেন, এ পর্যন্ত কেউ বাধা দেয়নি। কোনো অভিযানও হয়নি।

সরেজমিন দেখা গেছে, এই একটি গ্রামেই ৮০টির বেশি চুল্লি স্থাপন করে তামাক পোড়ানো হচ্ছে। পাশের বোমাংখিল, মিয়াজিরপাড়া, ক্যাজরবিল গ্রামে আছে আরও ১২০টি চুল্লি। প্রতিটি চুল্লিতে মজুত করা হয় শত শত মণ কাঠ।

চুল্লির পাশে কয়েকটি বসতবাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চুল্লিতে যখন তামাক পাতা পোড়ানো হয়, তখন নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া বাতাসের সঙ্গে ভেসে ঘরবাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়ে। এ ধোঁয়া নাকে লাগলে জ্বালাপোড়া ও সর্দি-কাশি দেখা দেয়। নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা শ্বাসকষ্টে ভোগেন। তামাক কোম্পানিগুলো অর্থসহায়তা দিয়ে চাষিদের চুল্লি স্থাপনে সহযোগিতা করলেও দূরবর্তী কোথাও শোধনাগার স্থাপন করে তামাক তৈরির উদ্যোগ নেয় না। কারণ, কাঠ ছাড়া তামাক পাতা শোধন করা সম্ভব নয়।

বোমাংখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির একজন সদস্য বলেন, তামাকের বিষাক্ত ধোঁয়ার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যেমন আক্রান্ত হচ্ছেন, তেমনি টাকার লোভে স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা চুল্লিতে কাজে জড়িয়ে পড়ছে। স্কুল-মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীর উপস্থিতিও কমে যাচ্ছে। চাষি পরিবারের অধিকাংশ নারী ও শিশু চুল্লিতে তামাক পোড়ানোর কাজ করছে। তাতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়লেও দেখার কেউ নেই। বনকর্মীদের ম্যানেজ করে চুল্লিতে কাঠ সরবরাহ ও মজুত করা হচ্ছে।

কক্সবাজারের রামুর বোমাংখিল গ্রামে চুল্লিতে তামাক পোড়াচ্ছেন শ্রমিকেরা। গত শুক্রবার দুপুরে তোলা

দুই জেলায় ৫ হাজার ৬০০ চুল্লি

কক্সবাজারে কত একর জমিতে তামাক চাষ হচ্ছে, চুল্লির সংখ্যা কত? তার সঠিক পরিসংখ্যান উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদ, বন, কৃষি ও পরিবেশ অধিদপ্তরে নেই। তবে পরিবেশবিষয়ক বিভিন্ন সংগঠনের তথ্য বলছে, রামুর গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড়, কাওয়ারখোপ, ফতেখাঁরকুল, চকরিয়া, ঈদগাঁও, উখিয়া ও পাশের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর, সোনাইছড়ি, দোছড়ি, বাইশারী ইউনিয়নে অন্তত ১৩ হাজার একর জমিতে তামাকের চাষ হচ্ছে, যা আগের বছর ছিল ১২ হাজার একর। আর তামাক পাতা পোড়ানোর জন্য ঘরের আঙিনা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, নদী ও খালের পাশে স্থাপন করা হয়েছে ৫ হাজার ৬০০টি চুল্লি। গত বছর চুল্লি ছিল প্রায় পাঁচ হাজার।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা বলেন, পরিবেশকর্মী ও বিভিন্ন সংস্থার হিসাবে কক্সবাজার ও বান্দরবানে ১৩ হাজার একর জমিতে তামাক চাষ হচ্ছে। তামাক চুল্লি আছে ৫ হাজার ৬০০টি। বনাঞ্চলের কাঠ দিয়েই শতভাগ চুল্লিতে তামাক পাতা পোড়ানো হচ্ছে। ইটভাটার কালো ধোঁয়ার চেয়ে বিষাক্ত তামাকের ধোঁয়া স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। অথচ কোনো চুল্লির জন্য পরিবেশের ছাড়পত্র নেওয়া হয় না। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এক একর জমিতে উৎপাদিত তামাক পাতা চুল্লিতে পোড়াতে গড়ে লাগে ১৩০ মণ কাঠ। সে হিসাবে ১৩ হাজার একরের তামাক পাতা পোড়াতে ৫ হাজার ৬০০ চুল্লিতে লাগে ১৬ লাখ ৯০ হাজার মণ কাঠ। পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও মাটির গুণাগুণের মারাত্মক ক্ষতির বিষয়টি জেনেও লাভের আশায় চাষিরা তামাক চাষে ঝুঁকছেন।

বাড়ছে পরিবেশদূষণ

রামুর ঈদগড়, গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, কাউয়ারখোপ, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি ও সোনাইছড়ি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে দুই হাজার একরের বেশি জমিতে তামাকের চাষ হয়েছে। বেশির ভাগ নদী-খাল-ছড়া ও বনাঞ্চলের পাশের সরকারি জমিতে।

চুল্লি থেকে নির্গত তামাকের বিষাক্ত রস ছড়িয়ে পড়ে মাতামুহুরী, বাঁকখালীসহ চকরিয়া, সদর কক্সবাজার, রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ১৫টির বেশি নদী, খাল ও ছড়ার পানিতে মিশছে। তাতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছসহ জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তোফাইল আহমদ বলেন, রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ির ৯টি ইউনিয়নে ৫ হাজার একরের বেশি জমিতে তামাক চাষ হচ্ছে। চুল্লি আছে ৩ হাজারের বেশি। তামাকের বিষাক্ত রস বাঁকখালী নদী, পাশের বড় জামছড়ি, গজই খাল, ছোট জামছড়ি খাল, দোছড়ি খালসহ অন্তত ১২টি জলাশয়ের পানিতে মিশে মাছ মরে যাচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। বিলুপ্ত হচ্ছে পুঁটি, ট্যাংরা, কই, চিংড়ি, বোয়াল, শিং, টাকিসহ বিভিন্ন মাছ।

‘সারা দিন চুল্লিতে তামাক পুড়িয়ে মজুরি পাই ৫০০ টাকা। তামাকের রস হাতে লাগলে চামড়া উঠে যায়। সব সময় চুলকাতে থাকে। সর্দি, কাশি তো আছেই। এলাকায় কোনো বিকল্প কাজ নেই বলে তামাক পোড়ানোর কাজ নিয়েছি।’
রহিমা বেগম, তামাক চুল্লির শ্রমিক

রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, তামাক চাষ না করে শাকসবজি চাষ করতে তাঁরা চাষিদের উৎসাহ দেন, কিন্তু কাজ হয় না। তামাকের আগ্রাসনও ঠেকানো যাচ্ছে না।

কৃষিবিষয়ক প্রতিবেদন নিয়ে কাজ করেন গর্জনিয়ার বোমাংখিল গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, তামাকের আগ্রাসন এতটা বেড়েছে যে এখন সরকারি বনভূমি, নদীর তীর, বাড়ির আঙিনা, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশেও তামাক চাষ ও চুল্লি হয়েছে। কোনো চুল্লিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রামুর দুজন বন কর্মকর্তা বলেন, গর্জনিয়া, ঈদগড়, কচ্ছপিয়াসহ আশপাশের পাঁচটি ইউনিয়নের তামাক চাষ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। সে ক্ষেত্রে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চুল্লিও। সংরক্ষিত বন নয়, লোকজনের সামাজিক বনায়ন উজাড় করে চুল্লিতে কাঠ সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু বন বিভাগের কাছে চুল্লি ও তামাক চাষের কোনো তথ্য নেই।

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে চকরিয়ার বরইতলী এলাকায় ধানের জমিতে তামাক চাষ করা হচ্আছে। সম্প্রতি তোলা

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও শিশুরোগবিশেষজ্ঞ নুরুল আলম বলেন, তামাকের বিষাক্ত ধোঁয়া থেকে শ্বাসকষ্ট, ক্যানসার, আলসার, হাঁপানিসহ বিভিন্ন রোগে নারী-শিশুরা আক্রান্ত হতে পারে। তামাকের রস নদী কিংবা খালের পানিতে মিশলে সেই পানি দূষিত হয়ে মাছসহ জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হতে পারে।

তামাকবিরোধী বেসরকারি সংস্থা উন্নয়ন বিকল্পের নীতিনির্ধারণী গবেষণার (উবিনীগ) কক্সবাজার আঞ্চলিক সমন্বয়ক মো. জয়নাল আবেদীন খান বলেন, তামাক চাষের কারণে একদিকে জমির উর্বরতা শক্তি কমে যাচ্ছে, অন্যদিকে চাষিদের পরিবারের সদস্যসহ আশপাশের বহু মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তা ছাড়া চুল্লিতে তামাকপাতা পোড়াতে গিয়ে প্রতিবছর ১০০ থেকে ১৪০ কোটি টাকার কাঠ পোড়ানো হচ্ছে।

তামাক চুল্লি স্থাপনের বিপরীতে কাউকে পরিবেশ ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি জানিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা বলেন, তামাক চাষের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের করার কিছু নেই। তবে চুল্লি থেকে নির্গত তামাকের বিষাক্ত রসে মাছসহ জীববৈচিত্র্য ধ্বংস কিংবা বিষাক্ত ধোঁয়ায় মানুষের স্বাস্থ্যহানির ঝুঁকি বাড়লে সে ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারে। চুল্লির বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।