হত্যা
হত্যা

নোয়াখালীতে চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একটি ধানখেত থেকে শারীরিক প্রতিবন্ধী এক কিশোর অটোরিকশাচালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশের গলা ও মুখ স্কচটেপ দিয়ে বাঁধা ছিল।

স্থানীয় লোকজনের তথ্যের ভিত্তিতে আজ রোববার বিকেলে উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সী বাড়ি ব্রিজসংলগ্ন ধানখেত থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মো. আবদুল আহাদ (১৭) চট্টগ্রামের ওসমানিয়া ফ্যাক্টরি এলাকার নুরুল আলমের ছেলে। পুলিশের ধারণা, দুর্বৃত্তরা চালক আহাদকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে তার অটোরিকশাটি ছিনতাই করে নিয়ে গেছে।

আহাদের মামা মো. আজাদ বলেন, দুবছর আগে আহাদের মায়ের সঙ্গে তার বাবার বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এর পর থেকে আহাদ তাদের বাড়িতে থাকত। জিলানী নামের এক ব্যক্তির গ্যারেজের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালাত সে।

আজাদ জানান, গতকাল শনিবার দিবাগত রাত একটার দিকে অটোরিকশার মালিক ফোনে আহাদের মাকে জানান, আহাদ রিকশা নিয়ে বের হয়ে গ্যারেজে ফেরেনি। এর পর থেকে অটোরিকশাসহ নিখোঁজ ছিল সে। আজ দুপুরে ধানখেতে মুখে স্কচটেপ মোড়ানো অবস্থায় আহাদের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।

জানতে চাইলে বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। আবদুল আহাদ নামের ওই কিশোর পেশায় অটোরিকশাচালক ছিল। লাশের মুখমণ্ডল ও গলায় স্কচটেপ মোড়ানো ছিল। ধারণা করা হচ্ছে যে দুর্বৃত্তরা অটোরিকশাটি ছিনতাই করতেই চালককে হত্যা করে লাশ ওই ধানখেতের মধ্যে ফেলে গেছে।

পরিদর্শক তদন্ত হাবিবুর রহমান জানান, সুরতহাল প্রস্তুত শেষে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে অটোরিকশার এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পরিবারের অভিযোগের আলোকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।