ভারত থেকে আমদানি করা ইলিশ যশোরের বাজারে ‘বরিশালের ইলিশ’ বলে বিক্রি হচ্ছে। সম্প্রতি যশোর শহরের বড়বাজারে
ভারত থেকে আমদানি করা ইলিশ যশোরের বাজারে ‘বরিশালের ইলিশ’ বলে বিক্রি হচ্ছে। সম্প্রতি যশোর শহরের বড়বাজারে

ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, ১০৩ প্রতিষ্ঠানের অনাপত্তিপত্র বাতিল

ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আমদানি বন্ধ করতে ১০৩টি প্রতিষ্ঠানের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) বাতিল করা হয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের এ সিদ্ধান্তের ফলে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

গত ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্য অধিদপ্তর থেকে এক চিঠির মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ সিঙ্গেল উইন্ডো’ সিস্টেমের মাধ্যমে ইস্যু করা ১০৩টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের অনাপত্তিপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের তথ্য জানানো হয়।

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. খালেদ কনক স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমদানি করা ইলিশের পূর্বে মঞ্জুরি করা অনাপত্তিপত্রগুলো বাতিল করা হলো।

যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, যে ১০৩টি প্রতিষ্ঠানকে ইলিশ মাছ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে ৬১টি প্রতিষ্ঠানের ইলিশের চালান বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আসার কথা ছিল। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য বন্দর বা রুটে আনার তথ্য ছিল। ২২ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত নির্দেশনার চিঠি মৎস্য অধিদপ্তরের যশোর কার্যালয়ে পৌঁছায়।

মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাব মতে, চলতি অর্থবছরের গত ১ জুলাই থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৫৫৩ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছে। তবে নতুন এই সিদ্ধান্তের কারণে আমদানি কার্যক্রম আপাতত স্থগিত হয়ে গেল।

মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাব মতে, চলতি অর্থবছরের গত ১ জুলাই থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৫৫৩ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছে। তবে নতুন এই সিদ্ধান্তের কারণে আমদানি কার্যক্রম আপাতত স্থগিত হয়ে গেল