সিলেট নগরের তেমুখী এলাকায় পাঁচ গ্রামের বাসিন্দারা সংঘর্ষে জড়ান। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গতকাল বুধবার রাতে
সিলেট নগরের তেমুখী এলাকায় পাঁচ গ্রামের বাসিন্দারা সংঘর্ষে জড়ান। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গতকাল বুধবার রাতে

সিলেটে মধ্যরাতে সংঘর্ষে জড়ালেন পাঁচ গ্রামের মানুষ, আহত ১৫

সিলেটে দুই কিশোরের কথা-কাটাকাটির জেরে মধ্যরাতে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন পাঁচ গ্রামের মানুষ। এক পক্ষে দুই গ্রামের, আরেক পক্ষে তিন গ্রামের মানুষ ছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।

গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে নগরের তেমুখী এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় এক ঘণ্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ এ সংঘর্ষ চলে। এ সময় সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নগরের জালালাবাদ থানার পুলিশ জানিয়েছে, জালালাবাদ থানার অধীন তেমুখী এলাকার পার্শ্ববর্তী কুমারগাঁও ও সাহেবেরগাঁও গ্রামের দুই কিশোরের কথা-কাটাকাটির জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত। পরে কুমারগাঁওয়ের লোকজনের পক্ষে নাজিরেরগাঁও এবং সাহেবেরগাঁওয়ের লোকজনের পক্ষে ছড়ারগাঁও ও কালিরগাঁওয়ের লোকজন যুক্ত হন। সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলে। এ ঘটনায় ওই সময় যান চলাচল বন্ধ ছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হন। তবে প্রাথমিকভাবে কারও নাম-পরিচয় জানা যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এদিকে পুলিশ আহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানার পাশাপাশি সংঘর্ষের কারণ জানারও চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে।

গতকাল দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘শুরুতে কেউ কেউ সংঘর্ষের ঘটনাটি রাজনৈতিক বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত সে তথ্য পাওয়া যায়নি। ঝগড়ার মূল কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। মূলত দুই গ্রামবাসীর মধ্যে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত।’