পটুয়াখালী–১ ও পটুয়াখালী–৩ আসনে ভোটকেন্দ্রে আগুন ও নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে পটুয়াখালীর দুমকি ও আজ বুধবার ভোরে গলাচিপা উপজেলায় এ দুটি ঘটনা ঘটে।
গতকাল দিবাগত রাতে পটুয়াখালী–১ (সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) আসনের দুমকি উপজেলার পাঙ্গাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভোটকেন্দ্রে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে বিজিবির টহল দল ও দুমকি থানা–পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
পাঙ্গাশিয়া নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওবায়দুল হক বলেন, গতকাল রাত ১১টার দিকে বিদ্যালয়সংলগ্ন একটি মসজিদে নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন এলাকাবাসী। এ সময় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে আগুন জ্বলতে দেখেন তাঁরা। আগুন লাগানো ওই কক্ষ ভোটকেন্দ্রের জন্য নির্ধারিত ছিল। এরপর এলাকাবাসী মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং সংশ্লিষ্টদের অবহিত করেন।
দুমকি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ভোটকেন্দ্রটি পরিদর্শন করেছি। পাশাপাশি আগুন লাগার কারণ খুঁজতে তদন্ত শুরু করেছি।’
অন্যদিকে পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা ও দশমিনা) আসনে বিএনপির জোটভুক্ত গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ট্রাক প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
নুরুল হকের সমর্থক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আজ ভোরে গলাচিপা উপজেলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়া হয়। খবর পেয়ে তিনি ও অন্য কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় তেমন ক্ষয়ক্ষতি না হলেও এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
অন্যদিকে একই আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হাসান মামুনের ঘোড়া প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হাসান মামুনের সমর্থক সাবেক ছাত্রদল নেতা মাসুম বিল্লাহ জানান, গতকাল রাতে রতনদি তালতলী ইউনিয়নে ঘোড়া প্রতীকের একটি নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। তাঁর অভিযোগ, এ ঘটনায় নুরুল হক নুরের কর্মী ও সমর্থকেরা জড়িত এবং তিনি তাঁদের দেখেছেন।