শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় প্রথম কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ দুপুরে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় প্রথম কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ দুপুরে

জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ আবার এসেছে: আমির খসরু

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ আবার এসেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। জিয়াউর রহমান যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

আজ শনিবার সকালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দলের নীতি ও আদর্শের বাইরে গিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল পরিচালনা করা সম্ভব নয়।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশ গড়ার যে প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, হুমাম কাদের চৌধুরীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে সকালে চট্টগ্রাম নগরের দুই নম্বর গেট এলাকায় অবস্থিত বিপ্লব উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন।

এ সময় মেয়র বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে একটি মহল নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে শহীদ জিয়ার আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

শাহাদাত হোসেন বলেন, বিপ্লব উদ্যান বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি ঐতিহাসিক স্থান। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের রাতে এখান থেকেই জিয়াউর রহমান প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়েছিলেন। পরে ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধে জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেন। তাঁর নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও সাহসিকতা স্বাধীনতার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।