নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর জিলা স্কুলের সামনে অবৈধ মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড উচ্ছেদের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি আটকে রাখেন চালক ও শ্রমিকেরা। আজ বেলা সাড়ে ১২টার দিকে
নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর জিলা স্কুলের সামনে অবৈধ মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড উচ্ছেদের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি আটকে রাখেন চালক ও শ্রমিকেরা।  আজ বেলা সাড়ে ১২টার দিকে

নোয়াখালীতে অবৈধ মাইক্রোস্ট্যান্ড উচ্ছেদের সময় ম্যাজিস্ট্রেট অবরুদ্ধ, গাড়ি ভাঙচুর

নোয়াখালী জেলা শহরের মাইজদীতে অবৈধ মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড উচ্ছেদের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালতের গাড়ি ভাঙচুর ও ম্যাজিস্ট্রেটকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। শহরের জিলা স্কুল ও শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অভিযান চলার সময় চালক-শ্রমিকেরা শহরের প্রধান সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে দূরপাল্লার বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের হাজারো যাত্রী সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত চালক ও শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ দুপুর ১২টার দিকে জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিলা স্কুলের সামনের ও পৌর বাজার এলাকায় সড়কের পাশের স্ট্যান্ড থেকে মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার ও পিকআপ ভ্যান সরিয়ে দিতে যান। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ভেকু মেশিনের চালক পিকআপ ভ্যান, মাইক্রোবাসসহ বেশ কয়েকটি গাড়ি ওপর থেকে চাপা দিয়ে ভেঙে ফেলেন। এতে স্ট্যান্ডে থাকা গাড়ির চালক ও শ্রমিকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে অবরুদ্ধ করেন। উত্তেজিত লোকজন ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিম হাসান খান জিলা স্কুলের সামনে ও শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে সড়কের পাশের ফুটপাত থেকে অবৈধ মাইক্রো ও পিকআপ স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করতে গেলে তাঁকে অবরুদ্ধ করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে যান আরেক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসাইন। তবে শ্রমিকেরা তাঁকেও অবরুদ্ধ করে রাখেন। এরপর বেলা দেড়টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি শান্ত করেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তাই ঘটনার বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানা যায়নি।